
ফাইল ছবি
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: রাজস্ব আহরণে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় বিকল্প অর্থায়নের উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তার মতে, বিদেশি বিনিয়োগ শুধু শিল্প বা অবকাঠামো খাতে সীমাবদ্ধ নয়, পুঁজিবাজারেও তা আনার বড় সুযোগ রয়েছে।
বুধবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর এক হোটেলে কেয়ার বাংলাদেশের আয়োজিত অনুষ্ঠান ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার: ড্রাইভিং ডেভেলপমেন্ট উইথ মার্কেটস, ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনোভেশন’-এ বক্তব্য রাখেন গভর্নর।
তিনি বলেন, একসময় বিদেশি সহায়তা দেশের জিডিপির ১২ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। কিন্তু এখন সেই সহায়তা অনেক কমে এসেছে। ফলে উন্নয়নের জন্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। আর এজন্য পুঁজিবাজার হতে পারে একটি কার্যকর মাধ্যম।
অর্থনীতির বড় তিন চ্যালেঞ্জ— মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা এবং উদ্ভাবন ও আর্থিক শিক্ষা বিস্তারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন গভর্নর। তিনি জানান, ব্যাংক খাতকে স্থিতিশীল করতে ধাপে ধাপে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নে আরও তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে।
গভর্নর বলেন, ঋণ প্রদানে স্বচ্ছতা, ব্যাংকবহির্ভূত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি এবং গ্রামীণ এজেন্ট ব্যাংকিং প্রসারের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রসারের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় চার হাজার ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হচ্ছে এবং বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সাত হাজার কোটি টাকার বেশি বিতরণ হয়েছে।
তার মতে, সময় এসেছে বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভর না থেকে নিজস্ব বাজারভিত্তিক অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলার। আর সেই কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হবে পুঁজিবাজার।



