
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের কার্গো ও গ্রাউন্ড সেবা দিয়ে গত অর্থবছরে রেকর্ড এক হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা আয় হয়েছে। এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৩০০ কোটি টাকা, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক (কার্গো ভিলেজ) মো. শাকিল মেরাজ জানিয়েছেন, এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবল নিয়োগ। প্রতিদিন ৩৪টি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে প্রায় ৯০০ থেকে ১১০০ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রফতানি হচ্ছে, যা দেশের বাণিজ্য ও শিল্প খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, থার্ড টার্মিনালে ডেডিকেটেড কার্গো বিমানের যাত্রা শুরু হলে আয় আরও কয়েকগুণ বাড়বে। পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত হলে সেবার মানও উন্নত হবে, যা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করবে।
সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ মো. মুজিবুর রহমান বলেন, “ডেডিকেটেড কার্গো সার্ভিস চালু হলে শাহজালাল বিমানবন্দরের রাজস্ব আয় ত্বরান্বিত হবে। তৃতীয় টার্মিনালে একাধিক দেশের কার্গো সার্ভিসের সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।”
পর্যটন খাতেও এই উন্নয়ন ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ পর্যটকদের জন্য পণ্য পরিবহনের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায় ব্যবসায়িক ও পর্যটন কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী এক বছরের মধ্যে কার্গো ভিলেজ ও থার্ড টার্মিনালের সম্প্রসারণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ হলে দেশের বাণিজ্য ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।



