
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : জাতীয় সংসদে আজ এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আরও লাভজনক ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক এয়ারলাইনে পরিণত করতে সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী জানান, বিমান বর্তমানে নিজস্ব ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদান করে আসছে। সামগ্রিকভাবে বিমান একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে এর পরিচালন দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনার মান আরও উন্নত করার সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, বিমানবহরে বিমানের সংখ্যা ঘাটতি বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই ঘাটতি দূর করতে না পারলে রাজস্ব বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি মুনাফা নিশ্চিত করা কঠিন হবে। নতুন বিমান যুক্ত হলে আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং বিমানকে আরও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
‘নেটওয়ার্ক ও ফ্লিট পরিকল্পনা’র আওতায় পুরোনো বিমান পর্যায়ক্রমে বাদ দিয়েনতুন বিমান যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ফ্লাইট কার্যক্রম বজায় রাখতে ও সম্প্রসারণের জন্য লিজের মাধ্যমে বিমান সংগ্রহ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে যাত্রীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। ফ্লাইট পরিচালনা ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং উভয় ক্ষেত্রে সেবার মান বাড়াতে নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং কর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইন টিকেটিং চালু হওয়ায় যাত্রীদের টিকেট ক্রয়ে হয়রানি অনেকাংশে কমে এসেছে।
সীমিত সংখ্যক বিমান নিয়েও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় ফ্লাইটে প্রায় ৮০ শতাংশ সময়ানুবর্তিতা (OTP) অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।


