
নতুন আইন পাশ হচ্ছে ইতালিতে।
ইতালি সরকার নাগরিকত্ব প্রাপ্তির আইন কঠোর করছে, যা নিয়ে দেখা দিচ্ছে সমালোচনা ও উদ্বেগ। নতুন আইনে নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে শুধু তাদের যাদের বাবা-মা বা দাদা-দাদি ইতালিতে জন্মগ্রহণ করেছেন। এতে করে ইউরোপীয় এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কহীন ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব প্রাপ্তি কঠিন হবে।
পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী, প্রায় ৬ কোটি থেকে ৮ কোটি মানুষ ইতালির নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন। এদিকে ইতালির জনসংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৯০ লাখ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বংশগত নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বলেন, এটি এমন ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব প্রদান করত যাদের সঙ্গে ইতালির বাস্তবিক কোনো সম্পর্ক নেই। তাই, নতুন আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছিল।, যাদের বাবা-মা বা দাদা-দাদি ইতালিতে জন্মগ্রহণ করেছেন। এতে করে ইউরোপীয় এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কহীন ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব প্রাপ্তি কঠিন হবে।
সরকারের দাবি, নাগরিকত্ব প্রাপ্তির প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে অপব্যবহার হচ্ছে। বিশেষ করে ভ্রমণ সুবিধার জন্য ইতালি পাসপোর্ট গ্রহণের ঘটনা বেড়েছে। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স অনুযায়ী, ইতালি পাসপোর্ট বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা প্রদানকারী।
এ অবস্থায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তোনিও তাজানি মন্তব্য করেছেন, নাগরিকত্ব প্রাপ্তি আর কোনো খেলার মতো হওয়া উচিত নয়।
নতুন আইনের ফলে, যারা ইতালির নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার আবেদনকারী প্রভাবিত হবেন। এদের মধ্যে যারা ইতালিতে বাবা-মা বা দাদা-দাদি জন্মগ্রহণকারী, তারা নাগরিকত্ব পাবেন। অন্যদিকে, দ্বৈত নাগরিকত্বধারীরা ট্যাক্স, ভোটদান বা পাসপোর্ট নবায়ন না করলে নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকিতে আছেন।
নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়া এখন থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে পরিচালিত হবে, যেখানে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার বাধ্যততামূলক। ফলে, যারা ইতালির নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই ইতালিতে আসতে হবে।
পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী, প্রায় ৬ কোটি থেকে ৮ কোটি মানুষ ইতালির নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন। অথচ ইতালির জনসংখ্যা ৫ কোটি ৯০ লাখ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বংশগত নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বলেন, এটি এমন ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব প্রদান করত যাদের সঙ্গে ইতালির বাস্তবিক কোনো সম্পর্ক নেই। তাই, নতুন আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছিল।



