
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : রাশিয়ার শীর্ষ দুই তেল কোম্পানি রসনেফট ও লুকঅয়েল-এর ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (২৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বেসেন্ট বলেন, “এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ক্রেমলিনের প্রধান আয়ের উৎসে চাপ সৃষ্টি করা। এখনই যুদ্ধ থামানোর সময়।” তিনি আরও জানান, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়া শান্তি আলোচনায় আগ্রহ না দেখানোয় যুক্তরাষ্ট্র এ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী পশ্চিমা মিত্রদেরও এই নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করার আহ্বান জানান, যাতে রাশিয়ার অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ে এবং মস্কো যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-এর সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়। তবে পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি উভয়েই শান্তি চান—এখনই সময় এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর।”
রুশ ও ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনের ৪৩ হাজারের বেশি সেনা নিহত এবং প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার আহত হয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার ক্ষতি আরও ভয়াবহ—প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার নিহত এবং এক মিলিয়নেরও বেশি হতাহত ও নিখোঁজ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে, যা দেশটির অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধের পরবর্তী কূটনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ভর করবে রাশিয়ার পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার ওপর।



