
বিশেষ প্রতিনিধি। পর্যটন সংবাদ: গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১ মিনিটের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসমূহে নতুন পাল্টা শুল্ক কার্যকর হয়েছে। ৭ আগস্ট থেকে এ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দরে ৮ আগস্টের এই সময় থেকে নতুন কনটেইনারে বোঝাই হওয়া পণ্যে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ শুরু হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ৩৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হলেও, দুই ধাপে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ ও সর্বশেষ ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কারণে রপ্তানিকারকরা পাল্টা শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগেই অধিক মাত্রায় পণ্য রপ্তানি করে শুল্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন। গত ১ থেকে ৬ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১৪ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের ৫৭৬টি প্রতিষ্ঠান সম্পন্ন করেছে।
চট্টগ্রামের ইনডিপেনডেন্ট অ্যাপারেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব জানান, শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগে রপ্তানি হওয়া দুটি চালানে শুল্ক আরোপ হবে না, তবে শনিবারের জন্য প্রস্তুত চালানগুলোতে ২০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে। মার্কিন ক্রেতারা কমানো শুল্ক গ্রহণে রাজি হওয়ায় রপ্তানিকারকদের উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
শিপিং লাইনের কর্মকর্তারা বলেন, নতুন শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রগামী পণ্যগুলো সিঙ্গাপুর বা কলম্বো বন্দরে পুনরায় বোঝাই হয়ে বড় জাহাজে উঠে ৩০ থেকে ৪৫ দিন পর যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবে এবং তখনই শুল্ক আদায় শুরু হবে।
বন্দর সূত্র জানায়, পাল্টা শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগেই একটি বড় জাহাজ চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে গেছে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের পণ্য রয়েছে। শুল্ক কার্যকরের ফলে রপ্তানিতে কিছুটা চাপ থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুল্ক কমানোয় বাংলাদেশের রপ্তানিকর্তারা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সুযোগ পাচ্ছে, যা রপ্তানি খাতের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



