
এই বৈশাখ মৌসুমে একটি ইলিশের দাম ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। তবে মাছটির ওজন ছিল ২ কেজির কিছু বেশি।
আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) এমন সাইজের ৯ টি ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন আকারের আরও কিছু ইলিশ নিয়ে ভোর থেকে বসে আছেন যাত্রাবাড়ী মাছের আরতে বিক্রেতা মো. সগীর আলী। তবে মিলছে না ক্রেতা।
সগীর আলী পর্যটন সংবাদকে বলেন, ‘সামনে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গতকাল চাদপুর মাছ ঘাট থেকে বড় আকারের ৯টি ইলিশসহ বিভিন্ন আকারের আরও কিছু ইলিশ জেলেদের কাছ থেকে কিনেছিলাম। কিন্তু আজ ভোরে সেগুলো নিয়ে যাত্রাবাড়ী আরদে আসার পর থেকে কোন ক্রেতা পাচ্ছিনা তাই সেগুলো বিক্রি করতে পারছি না। লোকজন এসে দর-দাম করে চলে যায়। এতে মাছগুলো নরম হয়ে যাবার ভয় পাচ্ছি।আর বেলা বাড়ার সাথে সাথে মাছের দামও কমে যাচ্ছে। কিন্তু ক্রেতা মিলছে না।’
আজ এই আরদে দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ৪ হাজার টাকা, এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩ হাজার ৬০০ টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশ ২হাজার ৮০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৯০০ টাকা এবং ছোট আকারের ইলিশ ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজিতে বেচা-কেনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য পহেলা বৈশাখ মানেই আপামর বাঙালির কাছে পান্তা-ইলিশ। এ ছাড়া যেনো ভোজন প্রেমিদের চলেই না,আর এই সময়কে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু মাছ ব্যবসায়ী ইলিশের দামে আগুন ছড়ায়।
ফরিদা বেগম নামের এক নিন্ম আয়ের ক্রেতা পর্যটন সংবাদকে বলেন ‘ ইলিশ মাছ গরিবের জন্য বিলাশিতা। সারা বছর একটা ইলিশ খেতে হিমশিম খেতে হয় আর এই পহেলা বৈশাখে ইলিশ কল্পনা করা গরিবের জন্য মহা পাপ। একটা ২কেজি উজনের রুই মাছ কিনেছি তা দিয়েই ছেলে মেয়েদের আগামীকাল সকালে পান্তা খেতে দিব,অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানোর মতোই’
বাংলাদেশের আপামর বাঙালিরা আগামীকাল ভোরের সূর্য উঠার সাথে সাথেই মেতে উঠবেন উৎসবের আনন্দে এবং নতুন বছরকে বরন করে নিবে নানান আনুষ্ঠানিকতায়।



