সফল হয়েছেকাতার বিশ্বকাপ,আর সফল হওয়ার অন্যতম কারণ ছিলো গ্যালারি ভর্তি দর্শক আর একদিনে একাধিক ম্যাচ দেখার সুযোগ। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে সেটা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি ১ বছর। এরই মধ্যে টিকিট হসপিটালিটি টিকিট ছেড়েছে ফিফা। আর সেই টিকিটের মূল্য দেখে সবার চোখ ছানাবড়া।
বিশ্বকাপের ১৬ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচগুলোর হসপিটালিটি টিকিট ছেড়েছে আয়োজকরা। বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় যার সর্বনিম্ন মূল্য সাড়ে তিন হাজার আর সর্বোচ্চ ৭৩,২০০ ইউএস ডলার।
সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে মেক্সিকোর দুই ভেন্যুর প্যাকেজ। মনটেরে ও গুয়াদালাহারাতে অনুষ্ঠিত হবে চারটি করে ম্যাচ। এই চার ম্যাচের হসপিটালিটি প্যাকেজের সর্বনিম্ন মূল্য ধরা হয়েছে সাড়ে তিন হাজার ডলার।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে ভেন্যুগুলোতে এই প্যাকেজের মূল্য আকাশচুম্বি। ফাইনালসহ ৮ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নিউজ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। বিশ্বকাপে যে ভেন্যু পরিচিতি পাবে নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়াম নামে। এই ভেন্যুতে ৮ ম্যাচের প্যাকেজের সর্বনিম্ন মূল্য রাখা হয়েছে ২৫,৮০০ ডলার, আর সর্বোচ্চ ৭৩,২০০ ডলার।
তবে সমালোচনা হচ্ছে মূলত গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর টিকিট নিয়ে। যে টিকিট এখনও বাজারে ছাড়েনি ফিফা। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছরের শেষেই টিকিট ছাড়বে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে গ্রুপ পর্বের সাধারণ টিকিটের গড় দাম হবে ৩০৫ ডলার। আর এ খবরেই চটেছেন অনেক দর্শক। যেখানে কাতার বিশ্বকাপে মাত্র ১১ ডলারে টিকিট কিনে ম্যাচ দেখতে পেরেছেন দর্শকরা, সেখানে ২০২৬ বিশ্বকাপে খরচ করতে হবে কয়েকগুণ অর্থ।
বিশ্বকাপের আয়োজক হতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে যখন দরপত্র উপস্থাপন করেছিলো। সে সময় বলা হয় শুধু বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি থেকেই ১.৮ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব। সেখান থেকেই ধারণা করা হয় গ্রুপপর্বের খেলার টিকিটের মূল্য হবে আকাশচুম্বি। তবে শেষ পর্যন্ত কত হচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের মূল্য তার জানতে কিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে।
আগামী বছরের ১১ জুন শুরু হবে ফিফা বিশ্বকাপ। যার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।



