১৯/০৪/২০২৬
৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ বছরের গোল্ডেন ভিস দিবে ভিয়েতনাম

ভিয়েতনামের মনোরম রেইনফরেস্ট, চমৎকার স্ট্রিট ফুড এবং ঐতিহ্যবাহী প্যাগোডা দেখতে আগ্রহীদের জন্য এবার এসেছে নতুন সুখবর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দেশটি চালু করতে যাচ্ছে গোল্ডেন ভিসা প্রোগ্রাম।

গোল্ডেন ভিসা প্রোগ্রামের তিন স্তর: ভিয়েতনাম ট্যুরিজম অ্যাডভাইজরি বোর্ড সরকারকে তিন-স্তরের ভিসা প্রোগ্রাম চালুর প্রস্তাব দিয়েছে।

১. গোল্ডেন ভিসা: এই ভিসাধারীরা ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত ভিয়েতনামে থাকতে পারবেন। পরবর্তীতে এ মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।

২. ইনভেস্টর ভিসা: এ ভিসার মেয়াদ ১০ বছর। ৫ বছর পর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

৩. ট্যালেন্ট ভিসা: বিশেষ পেশাজীবীদের জন্য বরাদ্দকৃত এ ভিসা ৫ বছরের জন্য দেওয়া হবে এবং সহজে নবায়নযোগ্য।

আবেদন প্রক্রিয়া: এই তিনটি ভিসার জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতা এবং আবেদনের শর্তাবলী এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি হবে ডিজিটাল, অর্থাৎ দূতাবাসে গিয়ে ঝামেলা পোহাতে হবে না।

কেন গোল্ডেন ভিসা প্রোগ্রাম? ভিয়েতনামের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, মাত্র এক প্রজন্মেই দেশটি দরিদ্র দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০৪৫ সালের মধ্যে উচ্চ-আয়ের দেশ হওয়ার লক্ষ্যে ভিয়েতনাম বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে এ ভিসা প্রোগ্রাম চালু করতে যাচ্ছে।

প্রথমে কোথায় চালু হবে? অ্যাডভাইজরি বোর্ড প্রস্তাব দিয়েছে, ফু কুয়ক, হো চি মিন সিটি, হ্যানয় এবং দা নাং শহরে পরীক্ষামূলকভাবে এ ভিসা চালু করা হবে। পর্যটক আকর্ষণের পাশাপাশি অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

এশিয়ায় জনপ্রিয় হলেও ইউরোপে সংকুচিত: থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় এরই মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা চালু হয়েছে। কিন্তু ইউরোপে এ ধরনের প্রোগ্রাম ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। মাল্টা ও স্পেন ইতিমধ্যেই তাদের গোল্ডেন ভিসা প্রোগ্রাম বাতিল করেছে।

ভিয়েতনামের নতুন ভিসা প্রোগ্রামটি সফল হলে এটি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারী ও পেশাজীবীদের জন্য হতে পারে আকর্ষণীয় এক সুযোগ।

Read Previous

২০২৬ বিশ্বকাপের আকাশচুম্বি টিকিট মূল্য

Read Next

কমলাপুর রেলস্টেশন ভেঙে করা হবে মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular