
বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বাংলাদেশি ও ভারতীয় কর্মীদের বেতন-সুবিধায় বৈষম্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দুদকের কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ের অভিযানে অভিযোগের সত্যতা মেলার পর সামগ্রিক চুক্তি পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত জুনে আইনজীবী সালেকুজ্জামান সাগর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন। সেখানে বলা হয়, একই পদে একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলী বেতন পান প্রায় ১ লাখ টাকা, অথচ ভারতীয় প্রকৌশলী পাচ্ছেন ২৫ লাখ টাকা। শুধু তাই নয়, উচ্চপদে ভারতীয়দের প্রাধান্য এবং বিশেষ ধর্মের লোকজনকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
রিটের প্রাথমিক শুনানিতে আদালত বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। এরপর দুদকের বাগেরহাট অফিস রামপাল প্রকল্পে অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক প্রমাণ পায়। দেখা যায়, বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের নিজস্ব নীতিমালা থাকলেও ভারতীয় কর্মকর্তাদের এনটিপিসির নিয়মে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
এই অনিয়মের খোঁজে ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দুদক।



