
ফাইল ছবি
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : জুলাই হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বহুল প্রত্যাশিত রায় পড়া শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় পাঠ শুরু করলে দেশের ভেতরে বাইরে দৃষ্টি একযোগে ঢাকার দিকে ঠেকেছে।
রায়ের প্রতিটি মুহূর্ত সরাসরি দেখানো হচ্ছে বিটিভি, আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং ট্রাইব্যুনালের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চ্যানেলে। রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড় পর্দা বসানো হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ ভিড় করে রায়ের অগ্রগতি অনুসরণ করছেন।
কোন শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন নির্দেশদাতারা
জুলাই হত্যাযজ্ঞের সময়ের ঘটনাপ্রবাহে নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ভূমিকা নিয়ে দেশ-বিদেশে আলোচনার ঝড় চলছে। কী শাস্তি ঘোষণা হতে পারে—তা নিয়ে কৌতূহল চরমে।
মামলার আরেক বড় চরিত্র চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি আসামি থেকে রাজসাক্ষীতে পরিণত হন—তার আইনগত পরিণতিও আজ স্পষ্ট হবে।
প্রসিকিউশনের অবস্থান কঠোর
এই মামলায় নারীর প্রতি অনুকম্পার প্রশ্ন নেই—এমনটাই জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। তার ভাষ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হলেও, এ মামলার প্রেক্ষাপটে লিঙ্গভিত্তিক ছাড়ের সুযোগ নেই।
প্রয়োজনে রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দ্রুতই ইন্টারপোলে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
নিরাপত্তায় টানটান উত্তেজনা
রায় ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আদালত চত্বর এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে কড়া নজরদারি চলছে।
রায় কী বার্তা বয়ে আনবে এবং দেশের রাজনৈতিক ধারায় এর প্রভাব কতদূর ছড়াবে—এ প্রশ্ন এখন সবার মনে। তবে আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অপেক্ষাই একমাত্র।



