
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় যশোর জেলার প্রতিটি মন্দির ও পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার রওনক জাহান।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ক্যামেরা কেনার সামর্থ্য না থাকলে মণ্ডপ কর্তৃপক্ষকে ভাড়া নিতে হবে, সেটিও সম্ভব না হলে পূজা পরিষদ ও সমাজের বিত্তবানরা সহযোগিতা করবেন।
এসপি জানান, দুর্গাপূজাকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। কোনো ঘটনা ঘটলেও সেটিকে যেন ধর্মীয় রঙ দিয়ে প্রচার না করা হয়, সে বিষয়ে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।
ডিজে পার্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে মন্দির কমিটিকে নিজ উদ্যোগে তা নিরুৎসাহিত করতে হবে। ধর্মীয় সংগীত ও আচারই পূজার মূল প্রাসঙ্গিকতা বহন করে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও নতুন পরিকল্পনার কথা জানান রওনক জাহান। তার মতে, শহরে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে, উপজেলাগুলোতেও সীমিত পরিসরে কাজ করবে বিশেষ টিম। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতা অপরিহার্য হবে।
প্রতিমা বিসর্জন সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে বলেও জানান তিনি। নিয়ম অনুযায়ী রাত ৭টার মধ্যে বিসর্জন সম্পন্ন করতে হবে, বিশেষ প্রয়োজনে সর্বোচ্চ রাত ১০টা পর্যন্ত দেওয়া যাবে।
সভা শেষে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন জানান, পুলিশ প্রশাসনের শর্ত মেনে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক, ডিআইজি, জেলা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পন্ন হয়েছে, শিগগিরই জামায়াতে ইসলামের সঙ্গেও বৈঠক হবে। মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেও তাদের মতবিনিময় সভা নির্ধারিত রয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আবুল বাসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রুহুল আমিন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার ঘোষ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব নির্মল কুমার বিটসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।



