পর্যটন সংবাদ ডেস্ক:
আজ রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য এটি যেমন উত্তেজনার, তেমনি পর্যটকদের জন্যও একটি বিশেষ দিন। ঢাকার মিরপুর এলাকা আজ ভ্রমণ ও ক্রিকেট মিলনের এক অনন্য মিলনমেলা।
বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই হাজারো দর্শক দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় ছুটে আসেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে ম্যাচ হলে গ্যালারি হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। আজকের ম্যাচেও একই চিত্র দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঢাকার হোটেল, রেস্টুরেন্ট, পরিবহন ও আশপাশের পর্যটনস্পটগুলোতে বেড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়।
এবারের ম্যাচের বিশেষ দিক হলো, এটি ভবিষ্যৎ ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি)-এ না থাকা সত্ত্বেও বিসিবি ও পিসিবির পারস্পরিক সমঝোতায় আয়োজন করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২১ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশ সফরে এসে মিরপুরেই সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল। তবে এবার লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের সামনে রয়েছে সিরিজ জয়খরা কাটিয়ে ইতিহাস গড়ার সুযোগ।
পর্যটনপ্রিয় ক্রিকেটপ্রেমীরা এদিনে শুধুই খেলা দেখতে নয়, মিরপুরের আশপাশের নানা আকর্ষণীয় স্থান যেমন জাতীয় চিড়িয়াখানা, বনানী লেক, জাদুঘর ঘুরে দেখার সুযোগও নিচ্ছেন। ফলে একটি খেলা কীভাবে একটি শহরের পর্যটন চিত্র বদলে দিতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ আজকের মিরপুর।
বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাসের মতে, ‘মিরপুরের উইকেট বরাবরই চ্যালেঞ্জিং, তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী। আশা করছি, দর্শক ও সমর্থকদের সমর্থনে আমরা ভালো কিছু করতে পারব।’ অন্যদিকে পাকিস্তান দলের খেলোয়াড়দের অনেকেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-এর অভিজ্ঞতায় মিরপুরের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত।
আজকের ম্যাচ ঘিরে ঢাকার পর্যটনশিল্পের যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রীড়া-ভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে আবারও সামনে এনেছে। শুধু খেলা নয়, এই ধরনের আয়োজন রাজধানী ঢাকাকে এক বিশেষ পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করার সম্ভাবনা জাগায়।
খেলা উপভোগ করতে এসে যাঁরা ঢাকা শহরের সৌন্দর্য ও ইতিহাসে ডুবে যেতে চান, তাঁদের জন্য আজকের দিন হতে পারে স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতা।



