পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুল্ক বিতর্ক মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনা হবে না। সম্প্রতি হোয়াইট হাউজ থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের মাধ্যমে মোট শুল্ক ৫০ শতাংশে উন্নীত করায় উত্তেজনা তীব্রতর হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, রাশিয়ার তেল আমদানিকে কেন্দ্র করে জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির ঝুঁকি মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ৭ আগস্ট থেকে প্রথম ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়, নতুন বর্ধিত শুল্ক আগামী ২১ দিনের মধ্যে চালু হবে। যদিও কিছু পরিবহন ও নির্দিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় থাকবে।
অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃষক, জেলে ও দুগ্ধখাতের স্বার্থ রক্ষায় আপস করার সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করেছেন। মোদী বলেন, “কৃষকদের স্বার্থ আমাদের সর্বোচ্চ। প্রয়োজন পড়লে মূল্যই দিতে হবে, আমরা প্রস্তুত।”
এই বাণিজ্য উত্তেজনার প্রভাব পর্যটন খাতেও পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে পরিবহন খাতেও কিছু প্রভাব পড়তে পারে, যা দুই দেশের পর্যটন ও ব্যবসায়িক যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে আমেরিকা ও ভারত থেকে আসা পর্যটকদের জন্য ভিসা, যাতায়াত ও পণ্যের আমদানি-রপ্তানিতে বিলম্ব হতে পারে।
পর্যটন বিশ্লেষকরা বলছেন, “বিশ্বায়নের যুগে বাণিজ্য সংঘাতের প্রভাব পর্যটন খাতেও পড়ে। এই মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে সুসমন্বয় প্রয়োজন, যাতে পর্যটকদের ভ্রমণে কোনও ঝামেলা না হয়।”



