
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: স্বপ্নের পদ্মা সেতু পার হলো তিন বছরের সফল পথচলা। শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি হয়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটন, ব্যবসা, কৃষি এবং জীবনমান উন্নয়নের নতুন দিগন্ত।
২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পরদিন ২৬ জুন সাধারণ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় সেতুটি। তারপর থেকেই নিরবিচারে চলছে যানবাহন পারাপার। আজ অবধি পদ্মা সেতু পার হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৯৪ লাখ যানবাহন, যা থেকে সরকারের রাজস্ব এসেছে আড়াই হাজার কোটি টাকারও বেশি।
এই সেতুর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে খুলনা, বেনাপোল, বরিশালসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা শহরগুলোর যোগাযোগ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি পর্যটন ক্ষেত্রেও এসেছে বিপুল অগ্রগতি। এখন ঢাকা থেকে মাত্র ৩ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায় খুলনা কিংবা বেনাপোলে। এই সময় সাশ্রয় ও যাতায়াত সুবিধার ফলে দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটন স্পটগুলোতে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ।
খুলনার পর্যটক মনোয়ারা আক্তার বলেন, “ঢাকা থেকে এত অল্প সময়ে খুলনা পৌঁছাতে পারবো, তা কল্পনাও করিনি। এখন পরিবার নিয়ে সহজেই সুন্দরবন, সাথিয়া, মুন্সিগঞ্জ কিংবা পায়রা সমুদ্রবন্দর ঘুরে আসা যায়।”
পর্যটকদের জন্য সুবিধাজনক এই যাত্রার পেছনে রয়েছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগও। ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর সেতুর রেল চলাচল শুরু হয়, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে খুলনা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। এতে যাত্রীদের জন্য তৈরি হয়েছে এক নতুন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।
সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত হয়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড সংযোগ ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইন্টারনেট লাইন। এই সুবিধাগুলো পর্যটন খাতে ডিজিটাল পরিসেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থ



