
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকদের বহনকারী ১২টি হাউসবোটকে নিবন্ধন না থাকায় মোট ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর। রোববার (২৭ জুলাই) দিনব্যাপী পরিচালিত এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের স্পেশাল অফিসার ও মেরিন সোসাইটির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট থান্দার কামরুজ্জামান।
অভিযানে দেখা যায়, হাওরের বিভিন্ন হাউসবোট দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই পর্যটকদের পরিবহনে নিয়োজিত ছিল। নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে লাইসেন্স প্রাপ্তি বাধ্যতামূলক হলেও সংশ্লিষ্ট মালিকরা তা মানেননি।
জরিমানার আওতায় পড়া হাউসবোটগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- সুলতান: ৩০ হাজার টাকা
- এমবি মায়াবতী: ২৫ হাজার টাকা
- এমবি নিলঞ্জনা: ৩০ হাজার টাকা
- এমবি ডুবসাতার: ২০ হাজার টাকা
- এমবি নীলজল: ১৫ হাজার টাকা
- এমবি মেঘদূত: ১৫ হাজার টাকা
- এমবি স্বপ্ন: ১৫ হাজার টাকা
- এমবি জমিদার: ১৫ হাজার টাকা
- এমবি জলঘুড্ডি: ১৫ হাজার টাকা
- এমবি জলছবি: ১৫ হাজার টাকা
- এমবি হাওড় ক্রুজ: ১৫ হাজার টাকা
- এমবি বেগ বেঞ্জার: ১৫ হাজার টাকা
ম্যাজিস্ট্রেট থান্দার কামরুজ্জামান বলেন, “পর্যটন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং ও লাইসেন্স যাচাই কার্যক্রম চলবে। অবৈধভাবে পরিচালিত কোনো জলযান ছাড় পাবে না।”
টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় জলভ্রমণ গন্তব্য। প্রতিবছর হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটক হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন। তবে লাইসেন্সবিহীন নৌযানগুলো পর্যটকদের জীবনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নৌ পরিবহন অধিদপ্তর জানিয়েছে, পর্যটন মৌসুমে হাওরের সব হাউসবোটকে বৈধতার আওতায় আনতে মালিকপক্ষকে লাইসেন্স গ্রহণে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো কঠোর অভিযান পরিচালনারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।



