
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে টানা অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলা কর্মসূচিতে প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ করেন তারা। আট ঘণ্টারও বেশি সময় উপাচার্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আটকে রাখার পর রাত ১২টার দিকে ভবনের তালা খুলে দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেননি।
আন্দোলনকারীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের তফসিল ও পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ দ্রুত ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি কমপক্ষে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষকদের অসম্মান করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই। তাই তালা খোলা হলেও আন্দোলন চালু থাকবে প্রশাসনিক ভবনের সামনেই। তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে যতদিন না জকসু নির্বাচনের বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণা আসে।
অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম রাতে জানান, শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ অবস্থান করবেন, তারাও প্রশাসনিক ভবনে থাকবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষও বলেন, প্রয়োজনে পাঁচ-দশ দিন অবরুদ্ধ থাকলেও তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন।
এর আগে রোববার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে শিক্ষার্থীরা দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে ‘ব্রেক দ্য সাইলেন্স’ কর্মসূচি পালন করে স্লোগান দেন তারা। আন্দোলনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
এ ঘটনায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চরম অচলাবস্থা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন কবে এবং কীভাবে শেষ হবে, তা নির্ভর করছে জবি প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ওপর।



