
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ভ্যাট কর্মকর্তার অসদাচরণের অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে এ ঘোষণা দেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। সংগঠনের সভাপতি এম. এ. মোতালেব শরীফ জানান, যদি আগামী রোববারের মধ্যে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার না করা হয়, তবে সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে কুয়াকাটার সব হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, গত ৮ অক্টোবর ‘হোটেল সৈকত’-এ গিয়ে সহকারী কমিশনার (ভ্যাট) এ কে এম জামিউল আলম হোটেলের ম্যানেজারের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। এ সময় ম্যানেজার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও, ওই কর্মকর্তা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে সভাপতিকে নিয়েও অশোভন মন্তব্য করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কুয়াকাটা দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র। সরকারি কর্মকর্তাদের এমন আচরণ শুধু ব্যবসায়ীদের মর্যাদাহানিই নয়, পর্যটন শিল্পের জন্যও এটি অশুভ সংকেত। তারা অবিলম্বে ওই কর্মকর্তাকে পটুয়াখালী জেলা থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার, হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, হোটেল আল হেরার চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম মান্নান, কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি হোসাইন আমির, ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এম বাচ্চু এবং রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমসহ ১৬টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যসচিব কাউসার হামিদ বলেন, “আমরা বিষয়টি জানি। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভ্যাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি না মানা হলে পর্যটন মৌসুমেই তারা আন্দোলন আরও জোরদার করবেন।



