
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে অভ্যুত্থানপন্থী ছাত্র-জনতাকে রক্তিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ৫ আগস্ট একটি অবিস্মরণীয় দিন, যা স্মরণ করায় দেশের নতুন যাত্রার সূচনার কথা।
সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, এক বছর আগে এই দিনে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। শহীদ ও আহতদের রক্তের বিনিময়ে যে মুক্তির সূচনা হয়েছিল, তা আজও প্রেরণা জোগায় নতুন বাংলাদেশের নির্মাণে।
বিবৃতিতে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয় সেই সাহসী ছাত্র, তরুণ, শ্রমিক, শিক্ষক, শিল্পী ও পেশাজীবীদের, যাদের আত্মত্যাগ এই আন্দোলনকে করেছে ঐতিহাসিক। একইসঙ্গে আহতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলা হয়, তাঁদের দৃষ্টিশক্তি হারানো কিংবা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার আত্মত্যাগ কখনও ভোলা যাবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দাবি করে, এই অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তন নয়, বরং ফ্যাসিবাদী কাঠামোর সম্পূর্ণ বিলোপ এবং একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা। যদিও বর্ষপূর্তিতে এসেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
তবে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কাঠামোগত পরিবর্তন পুরোপুরি না এলেও সংস্কার প্রক্রিয়া কিছুটা এগিয়েছে। এদিন সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে ঘোষিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’কে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে তারা।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আবারও অভ্যুত্থানপন্থি সকল ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানানো হয় এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।



