১৭/০৪/২০২৬
৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সস্তায় শুঁটকি পেয়ে বস্তায় ভরছে পর্যটকরা

কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নাজিরারটেক শুঁটকি পল্লী। সেখানে পৌঁছানোর জন্য একটি অটোরিকশা করে নিতে পারবেন, যার ভাড়া ১২০ টাকা। 

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শুঁটকিপল্লী ঘুরে দেখতে পারেন। কীভাবে শুঁটকি তৈরি হয়, তা দেখতপ আর জানতে চাচ্ছে।

ক্যামেরায় বন্দি করতে পারেন মুহূর্তগুলো। শুঁটকি তৈরির শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে পরিবারের সদস্যরা শুঁটকি কেনার কাজে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে সবাই, মনে হলো সস্তায় পেয়ে যেন বস্তায় ভরে নিচ্ছে।

নাজিরারটেক শুঁটকিপল্লীতে খুচরা ও কেজি হিসেবে শুঁটকি কিছুটা সুলভমূল্যে কেনা যায়। এখানকার শুঁটকির সুনাম দেশব্যাপী। কক্সবাজার জেলার ১নং ওয়ার্ড, বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে ১০০ একর জমি নিয়ে এই শুঁটকিপল্লীটি অবস্থিত। এখানকার শুঁটকি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।

বঙ্গোপসাগর থেকে সংগ্রহ করা ছোট-বড় ২০ থেকে ২৫ প্রজাতির মাছ বাঁশের মাচায় বিছিয়ে রোদে শুকিয়ে শুঁটকিতে পরিণত করা হয়। শুঁটকির পাশাপাশি এখানে গড়ে উঠেছে বিক্রয়কেন্দ্র। পাইকারি ও খুচরা—দুইভাবেই শুঁটকি বিক্রি হয়। কক্সবাজারের অন্য যেকোনো শুঁটকি বাজারের তুলনায় এখানে কিছুটা সস্তায় শুঁটকি পাওয়া যায়। কক্সবাজার ভ্রমণে আসা এমন কোনো পর্যটক নেই, যারা শুঁটকি কিনে নিজ বাড়ি ও আত্মীয়স্বজনের জন্য নিয়ে যান না।

শুঁটকি বাঙালির একটি জনপ্রিয় খাবার। এমন পরিবার খুব কমই আছে, যারা শুঁটকি পছন্দ করেন না। কক্সবাজার থেকে শুঁটকি না নিয়ে ফিরলে আত্মীয়স্বজনের কাছে লজ্জায় পড়তে হয়। কারণ তারা অপেক্ষায় থাকে, কক্সবাজার থেকে তাদের জন্য শুঁটকি নিয়ে আসা হবে। তাই বলা হয়, শুঁটকি ছাড়া কক্সবাজার ভ্রমণ যেন অসম্পূর্ণ!

Read Previous

তিস্তা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তারেক রহমান

Read Next

‘পাসপোর্ট না থাকলেও দেওয়া যাবে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular