আন্তর্জাতিক ডেস্ক। পর্যটন সংবাদ: সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেছেন। মূল আলোচ্য বিষয় ছিল গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিশ্চিত করেছে, বৈঠকে গাজাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার নানা প্রস্তাব উঠে আসে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, যুদ্ধ শেষ হলে ওয়াশিংটন একটি “খুব বিস্তৃত” কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নামবে। যদিও এখনো বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, আগেই ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন গাজাকে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করার। তিনি একে “মধ্যপ্রাচ্যের রিভিয়েরা” হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখান।
টনি ব্লেয়ার ২০০৭ সালের পর কয়েক বছর মধ্যপ্রাচ্য দূত হিসেবে কাজ করেছেন। তখন তিনি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে আঞ্চলিক সমাধানের পথ খুঁজেছিলেন। এবারও আলোচনায় তিনি গাজা পুনর্গঠন ও ভবিষ্যতে বিনিয়োগের সুযোগের ওপর গুরুত্ব দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গাজা উপকূলীয় একটি অঞ্চল। রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে পারলে এখানকার সমুদ্রসৈকত ও প্রাচীন ঐতিহ্য পর্যটনশিল্পের জন্য বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে বর্তমানে ইসরায়েলের অভিযান ও মানবিক বিপর্যয়ের কারণে অঞ্চলটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘ ইতিমধ্যেই গাজায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করেছে।
যুদ্ধোত্তর পরিকল্পনায় যদি সত্যিই পর্যটন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তাহলে গাজা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে—যদিও এর পথে সবচেয়ে বড় বাধা রাজনৈতিক সমাধান ও মানবিক স্থিতিশীলতা।



