পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: চলতি বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষে সাহসিকতা দেখানো পাকিস্তান বিমান বাহিনীর (পিএএফ) পাইলটরা প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে এসেছেন। তারা অভিযানে ভারতের ছয়টি যুদ্ধবিমান—যার মধ্যে তিনটি ছিল আধুনিক রাফাল—ভূপাতিত করেন এবং রুশ নির্মিত এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেন।
এই অসামান্য অবদানের জন্য পাকিস্তান সরকার বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের দেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্ব পদক প্রদান করে। রাজধানী ইসলামাবাদের আইওয়ান-ই-সদরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ পদক তুলে দেন।
বিশেষভাবে সম্মানিত হন উইং কমান্ডার মালিক রিজওয়ানুল হক, যিনি ‘অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস’-এ এস-৪০০ সিস্টেম ধ্বংসের কৃতিত্ব অর্জন করেন। তাকে ‘তামঘা-ই-বসালাত’ পদক দেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ, যিনি শ্রোতাদের উদ্দেশে ঘোষণা করেন—“তিনি এস-৪০০ সিস্টেম ধ্বংস করেছেন”—এবং উপস্থিত জনতা করতালি দিয়ে তাকে অভিবাদন জানান।
আইএসপিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, ‘সিতারা-ই-জুরাত’ পদক পান উইং কমান্ডার বিলাল রাজা, উইং কমান্ডার হাম্মাদ ইবনে মাসউদ, স্কোয়াড্রন লিডার এম ইউসুফ খান, মুহাম্মদ ওসামা ইশফাক, মুহাম্মদ হাসান আনিস, তালাল হাসান ও ফিদা মুহাম্মদ খান।
পটভূমিতে রয়েছে ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগামে হামলার ঘটনা, যার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্রুত উত্তেজনা বাড়ে। ভিসা বাতিল, সীমান্ত বন্ধ, কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিতকরণ এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তানের পাল্টা অভিযানে ভারতের বিমান ও স্থলঘাঁটিতে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় পরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।



