পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন ফেলেছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাম্প্রতিক ঘোষণা। আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ম্যাক্রোঁ।
ফ্রান্সের এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে ফিলিস্তিনি নেতারা স্বাগত জানালেও ক্ষোভে ফুঁসছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, “এই সিদ্ধান্ত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার পর সন্ত্রাসকে পুরস্কৃত করার শামিল।”
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একে ‘বেপরোয়া সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, “এটি হামাসের প্রচারণাকে উৎসাহ দেবে এবং শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে।”
তবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ তার অবস্থানে অটল। তার মতে, “আজকের জরুরি প্রয়োজন গাজায় যুদ্ধের অবসান, জিম্মিদের মুক্তি ও বেসামরিক জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির জন্য এ সিদ্ধান্ত সময়োচিত।”
ফ্রান্সের এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হলেও, অনেক বিশ্লেষক বলছেন—এটি ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।
এখন দেখার বিষয়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এ স্বীকৃতি কীভাবে প্রভাব ফেলবে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে।



