
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সুশীলা কার্কি। দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগামী বছরের ৫ মার্চ সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন তিনি।
পর্যটন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী, কার্কির নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার ফলে নেপালের পর্যটন খাত পুনরুজ্জীবিত হবে। বিশেষ করে কাঠমান্ডু, পোকারা ও লুম্বিনীর মতো পর্যটনকেন্দ্রে স্থিতিশীলতা ফেরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগমন বাড়তে পারে।
সুশীলা কার্কি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিসম্পন্ন এবং নিরপেক্ষ পরিচিত। তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ ভবন পুনর্নির্মাণ এবং আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে। পর্যটন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত হলে নেপাল আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রেসিডেন্ট ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি এবং সেনাপ্রধান। সামাজিক অসন্তোষ ও বিক্ষোভের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে কার্কির শপথকে নেপালের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার নতুন সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পর্যটন খাতের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। বিশেষজ্ঞরা আশাবাদী, শীঘ্রই দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার ফলে হিমালয়ের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উপভোগ করতে বিদেশি পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পাবে।



