
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনায় গ্রিনল্যান্ড। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপ অঞ্চল সফর শেষে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—গ্রিনল্যান্ড কোনোভাবেই বিক্রির জন্য নয়।
সোমবার আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে যে গ্রিনল্যান্ড মার্কিন ভূখণ্ড হওয়া উচিত। এর জবাবেই ফ্রান্স এমন কড়া অবস্থান নিয়েছে।
এক্সে দেওয়া পোস্টে ব্যারো লিখেছেন, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা, ইউক্রেনে যুদ্ধ এবং আর্কটিক অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের বার্তা পরিষ্কার—গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য নয়।
তিনি আরও ঘোষণা দেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে প্রথম হিসেবে ফ্রান্স ২০২৬ সালের শুরুতে গ্রিনল্যান্ডে কনস্যুলেট চালু করবে। পাশাপাশি সহযোগিতা বাড়াতে পার্টনারশিপ ডায়ালগ কমিটিও গঠন করা হবে।
ব্যারো বলেন, “গ্রিনল্যান্ড একটি ইউরোপীয় ভূখণ্ড। প্রতিবেশীদের অধীনস্ত করে কোনো জাতির গৌরব গড়ে তোলা যায় না।”
এ সফরের আগে গত সপ্তাহে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিলেন। অভিযোগ ওঠে, অন্তত তিনজন মার্কিন নাগরিক ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন। ডেনিশ সম্প্রচারমাধ্যম ডিআর জানিয়েছে, এদের সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।
ফরাসি মন্ত্রীর আশ্বাস, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড একা নয়। ফ্রান্স ও ইউরোপ আজ এবং আগামীকালও তাদের পাশে থাকবে।



