
জীববৈচিত্র্য ও বিপন্ন কাছিম রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়েছে এক কর্মসূচি।সেন্ট মার্টিন দ্বীপের প্রায় তিন হাজার বেওয়ারিশ কুকুরকে বন্ধ্যাকরণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তারা
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, সেন্ট মার্টিনে প্রায় ৭ হাজারের বেশি কুকুর আছে। কুকুরের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের। বিশেষ করে দ্বীপে ডিম পাড়তে আসা কাছিমগুলো কুকুরের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। দ্বীপে কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বন্ধ্যাকরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক মো. জমির উদ্দিন জানান, আলোচ্য বন্ধ্যাকরণ কর্মসূচি শুরু করার জন্য গত সোমবার (৭এপ্রিল) অভয়ারণ্যের একটি দল কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিন রওনা দিয়েছে।যাদের সাথে থাকছেন কয়েকজন বিদেশি চিকিৎসক। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ থেকে বন্ধ্যাকরণ কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ধাপে এক হাজার কুকুরকে বন্ধ্যাকরণের আওতায় আনা হবে। বন্ধ্যাকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা দিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড ভেটেরিনারি সার্ভিস (ডব্লিউভিএস)।’ কুকুর বন্ধ্যাকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি সংস্থা-‘অভয়ারণ্য’। ২০১২ সাল থেকে তারা রাজধানীতে কুকুর বন্ধ্যাকরণের কাজে যুক্ত রয়েছে অভয়ারণ্য।
এ প্রসঙ্গে অভয়ারণ্যের চেয়ারম্যান রুবাইয়া আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা প্রথম ধাপে এক হাজার কুকুরকে বন্ধ্যাকরণ করব। এরপর আরও কয়েক ধাপে ২ হাজার কুকুরকে বন্ধ্যাকরণ করা হবে। এর সঙ্গে কুকুর লালন–পালন, সরকারি আইন এবং বন্ধ্যাকরণ বিষয়ে স্থানীয় লোকজনকে সচেতন করা হবে।’



