
ফাইল ছবি
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে এখন সাদা পাসপোর্টধারীরাও সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সহজেই আমেরিকার মাল্টিপল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা (B1/B2) পেতে পারেন। শুধু দরকার সঠিক কৌশল, অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ফর্ম পূরণ এবং ইন্টারভিউতে আত্মবিশ্বাস।
আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়ার প্রথম তিনটি ধাপ হলো:
১. DS-160 ফর্ম পূরণ
২. US Travel Docs প্রোফাইল তৈরি করা
৩. ভিসা ফি জমা দেওয়া – EBL ব্যাংকের যে কোনো শাখায় অফলাইনে অথবা EBL মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে অনলাইনে।
বর্তমানে প্রতিজনের জন্য ভিসা ফি $১৮৫ ডলার, যা প্রায় ২৩,১২৫ টাকা সমমানের। তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—US পোর্টাল আপডেটের পর থেকে ভিসা ফি জমার সময়সীমা এখন মাত্র ২ দিন।
DS-160 ফর্ম: সফলতার মূল চাবিকাঠি
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসা প্রক্রিয়ার ৭০% নির্ভর করে সঠিকভাবে DS-160 ফর্ম পূরণের উপর। যেহেতু এটি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্যভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ ফর্ম, তাই ছোট ভুলও ভিসা রিফিউজের কারণ হতে পারে।
ইন্টারভিউ: আত্মবিশ্বাসই বড় অস্ত্র
বাকি ৩০% নির্ভর করে ভিসা অফিসারের সাথে ইন্টারভিউর উপর। এই সাক্ষাৎকার সাধারণত ২-৩ মিনিটের হয়ে থাকে, তবে ক্ষেত্রভেদে ৫-১০ মিনিটও হতে পারে। ইন্টারভিউতে আবেদনকারীর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, জবাবের ধরন এবং যুক্তিসঙ্গত সফরের কারণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
যারা ভাবছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ট্রাম্প প্রশাসনের কারণে ভিসা পাওয়া কঠিন হবে, তাদের জন্য আশার কথা—এখনও ভিসার অনুমোদনের হার ইতিবাচক এবং রুটিন অনুযায়ী চলছে। ভিসা রেট বা রেশিও কখনও ব্যক্তিগত আবেদনের ফলাফল নির্ধারণ করে না।
সতর্কতা ও পরামর্শ
DS-160 ফর্ম সাবমিট করার পর Interview Appointment এর কোড নম্বরের সাথে যদি ফর্মের কনফার্মেশন কোড মেলে না, তাহলে ইন্টারভিউ বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই ফর্ম পূরণের সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকা জরুরি।
এছাড়া বর্তমানে ইন্টারভিউ তারিখ একাধিকবার রিশিডিউল করার সুযোগও রয়েছে, যা আগে সীমিত ছিল।
প্রতারণা থেকে সাবধান
অনেক এজেন্সি ভিসা “নিশ্চিত” করার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, আমেরিকান ভিসা কখনই চুক্তিভিত্তিক হয় না। তাই যাচাই-বাছাই করে শুধুমাত্র অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা উচিত।
আমেরিকায় পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণে আজই যোগাযোগ করুন অভিজ্ঞ পরামর্শকদের সঙ্গে!



