পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: সাত বছর পর চীন সফরে গিয়ে ভারত-চীন সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ বৈঠক শুধু কূটনৈতিক নয়, পর্যটন ও ভ্রমণ ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে।
মোদির এই সফরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়েছে সীমান্তে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা। দুই দেশের বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে ২০২০ সালের সংঘর্ষের পর উত্তেজনা লেগে থাকলেও, এবার স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসায় ভারতীয় পর্যটকরা তিব্বতের বৌদ্ধ তীর্থস্থানগুলোতে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে যেতে পারবে।
এছাড়া ২০২০ সালের পর বন্ধ থাকা সরাসরি ফ্লাইটগুলো শীঘ্রই চালু হবে। এটি ভ্রমণ ও পর্যটন ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। ইতিমধ্যেই চীন ভারতীয় পর্যটকদের ওপর কিছু ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ভারতে সফরের সময় বিরল খনিজ, সার ও টানেল বোরিং মেশিনের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। এতে ব্যবসা, পর্যটন ও সীমান্তবর্তী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত ও চীন একটি নতুন ভারসাম্য খুঁজে বের করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এর ফলে দুই দেশের পর্যটন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও মজবুত হবে।
ভারতীয় পর্যটকদের জন্য চীন ফের কেবল দর্শনীয় স্থান নয়, নতুনভাবে খুলছে সংস্কৃতি, ভ্রমণ ও ব্যবসার দিগন্ত।



