১৮/০৪/২০২৬
৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীলঙ্কায় এআই-নির্ভর আতিথেয়তার সূচনা — চালু হলো ‘গ্র্যান্ড সারেনডিব কলম্বো’

পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন মানচিত্রে বড় একটি মাইলফলক যুক্ত হলো শ্রীলঙ্কায়। রাজধানী কলম্বোতে চালু হয়েছে দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত হোটেল — গ্র্যান্ড সারেনডিব কলম্বো। এটিকে ঘিরে দেশটির পর্যটন শিল্পে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার কলম্বোর শাংরি-লা হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে হোটেলটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র, প্রবাসী কর্মসংস্থান ও পর্যটনমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ। একই মঞ্চে প্রযুক্তি ও রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান এবিইসি কোম্পানির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও উদযাপন করা হয়

উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ সনাথ জয়াসুরিয়া, এবিইসি প্রিমিয়ার দিলিপ কে. হেরাথ, সংসদ সদস্য ড. হার্শা দে সিলভা, সুইজারল্যান্ড ও ডেনমার্কসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক অতিথিরা।

মন্ত্রী বিজিথা হেরাথ উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,

“এআই-ভিত্তিক এই হোটেল প্রকল্প শ্রীলঙ্কার পর্যটন অর্থনীতিতে নতুন বিনিয়োগ এবং সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে। স্মার্ট হসপিটালিটি সেক্টরে আমরা এখন এক নতুন উচ্চতায় ওঠার পথে।”

বিদেশি কূটনীতিকরাও এই উদ্যোগকে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রযুক্তি-নির্ভর পর্যটন ব্যবস্থার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

কী থাকছে এই এআই-চালিত হোটেলে?

  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক রুম ম্যানেজমেন্ট ও গেস্ট সার্ভিস
  • স্বয়ংক্রিয় চেক-ইন ও ডিজিটাল কনসিয়ার্জ সুবিধা
  • ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী কাস্টমাইজড আতিথেয়তা
  • অতিথিদের আচরণ বিশ্লেষণ করে স্মার্ট সার্ভিস ডেলিভারি সিস্টেম

পর্যটন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রকল্প শ্রীলঙ্কাকে দক্ষিণ এশিয়ার হসপিটালিটি সেক্টরের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের অগ্রভাগে নিয়ে যাবে, যা ভবিষ্যতে বেশি সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শ্রীলঙ্কা সরকার এর মধ্য দিয়ে দেশটির পর্যটন ব্র্যান্ডিংকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিমুখী করতে চায় — এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে উদ্বোধনী ভাষণ থেকে।

Read Previous

রাজধানীতে হিট অফিসার বুশরার নামে সিসা বার পরিচালনার অভিযোগ – নতুন করে ওঠছে প্রশ্ন

Read Next

দেশে প্রথম জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু, লক্ষ্যমাত্রা প্রায় পাঁচ কোটি শিশু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular