১৮/০৪/২০২৬
৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালদ্বীপে ইউএস-বাংলার ঐতিহাসিক সামিট: ৩০০ ট্রাভেল এজেন্ট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড

পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মালদ্বীপে আয়োজন করেছে এক অভূতপূর্ব সামিট, যেখানে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৩০০-এর বেশি ট্রাভেল এজেন্ট। ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্রসরোড আইল্যান্ডের সাই লেগুন ও হার্ড রকে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন ‘পার্টনার রিট্রিট মালদ্বীপ-২০২৫’ নামেই বিশ্বে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। এর আগে কোনো একক এয়ারলাইন্স নির্দিষ্ট একটি দেশ থেকে এত সংখ্যক ট্রাভেল এজেন্টকে নিয়ে বিদেশে সম্মেলনের আয়োজন করেনি।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজারসহ সারা দেশ থেকে অংশগ্রহণকারী এজেন্টরা ১৯ সেপ্টেম্বর দু’টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমানে মালদ্বীপের ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

সামিটের দ্বিতীয় দিনে সাই লেগুন কনভেনশন হলে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ৪০ জন ট্রাভেল এজেন্টকে সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রথম স্থান অর্জন করে হাজী এয়ার ট্রাভেলস লিমিটেড, দ্বিতীয় শেয়ার ট্রিপ লিমিটেড এবং তৃতীয় স্থান দখল করে গোযায়ান লিমিটেড।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন, দি বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম, হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং শফিকুল ইসলামসহ অন্যরা। সঞ্চালনা করেন জনসংযোগ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মো. কামরুল ইসলাম।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, “২০১৪ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্টরা আমাদের শক্তি হয়ে আছে। ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে নিয়ে ইউএস-বাংলা বিশ্ব এভিয়েশনে নেতৃত্ব দিতে চায়।” তিনি জানান, বর্তমানে ২৪টি এয়ারক্রাফট দিয়ে এশিয়ার ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক রুটসহ সব অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলছে। শিগগিরই বহরে নতুন এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ যোগ হবে এবং সৌদি আরবের মদিনা ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া আগামী বছরগুলোতে আরও ২০টি নতুন এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। ইউএস-বাংলা নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিবছর ৩০ জন পাইলট ও ৩০ জন ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করছে, যা দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করবে।

সামিট শেষে অংশগ্রহণকারী সব ট্রাভেল এজেন্টরা ইউএস-বাংলার সঙ্গে থেকে বাংলাদেশের এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ২১ সেপ্টেম্বর সফলভাবে শেষ হয় এই ঐতিহাসিক আয়োজন, যা ইউএস-বাংলা ভবিষ্যতেও নিয়মিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

Read Previous

সুকুক ব্যবহারে বিপুল সম্ভাবনা, ছোট বিনিয়োগকারীদের সচেতনতার আহ্বান অর্থ উপদেষ্টার

Read Next

গাজীপুর টঙ্গীর সাহারা মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড: সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযানে সরাসরি অংশগ্রহণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular