
মায়ের হাত ধরে প্রথমবারের মতো পয়লা বৈশাখের আনন্দ শোভাযাত্রায় এসেছে ২ ভাই-বোন সামারা বিন্তে সাঈদ এবং আয়াত খান মূসা। শোভাযাত্রার বাঁধভাঙা উল্লাস শেষে মুখে রংতুলির আঁচড়ে ‘শুভ নববর্ষ’ লেখার আবদার হলো তাদের পূর্ণ। তাই তাদের আজ বাধভাঙ্গা উচ্ছাসের যেন শেষ নেই।
সেই অনুভূতি বাবার হাত ধরে শোভাযাত্রায় আসা সহোদর রাতুল এবং সাইফের । গাল রঙিন করার পর হাতে চরকি নিয়ে তারাও জানালো তাদের আনন্দের কথা।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ এবং রমনা পার্কের আশেপাশে এমন চিত্র দেখা যায়।
রমনায় বর্ষবরন আয়োজনে ঘুরতে আসা শিরিন আক্তার জানান আমি এমজন কর্মজীবি মহিলা পেশায় মার্চেন্ডাইজার এমনিতে সময় পাইনা ঘুরতে কিন্তু একটু সময় পেলেই বাচ্চাদের নিয়ে বেরিয়ে পরি ঘুরতে। আজ এখানে এসে অনেক বেশি ভালো লাগছে। আমার ছেলে মেয়ে সামারা এবং মূসা এখানে ঘুরতে এসে অনেক উচ্ছ্বসিত। আমি চাই আমার দুই সন্তান আবহমান বাংলার কৃষ্টি জেনে বুঝে বেড়ে উঠুক এবং এ দেশের প্রতি এ দেশের মানুষের প্রতি তাদের ভালোবাসা এবং মমত্ববোধ বেড়ে উঠুক। আমার বাচ্চারা তাদের মুখে নববর্ষের শুভেচ্ছা আঁকতে বায়না ধরে তাই তাদের বায়না পূর্ণ করা হলো এ ছাড়া মূসা ঢোল কিনেছে আর সামারা খেলনা বাটি।

এদিকে আরো দেখা যায়, বৈশাখের আনন্দ শোভাযাত্রা যেনো শুধু বড়দের মিলনমেলা নয়, বরং কচিকাঁচাদের নির্মল হাসিতেও মুখর হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে গালে ‘শুভ নববর্ষ’ লেখা শিশুদের উচ্ছ্বাস আর খুশি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।



