
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে সম্প্রতি শুরু হওয়া ‘জেন-জি’ প্রজন্মের বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। সোমবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে নিউ বানেশ্বরে অবস্থিত পার্লামেন্ট ভবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বিক্ষোভকারীরা তাণ্ডব চালায়। নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছে, তবে সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিক্ষোভের মূল কারণ হচ্ছে সরকারের দুর্নীতি, ক্ষমতাবান পরিবারের সন্তানদের আধিপত্য এবং প্রশাসনিক অযোগ্যতা। অনলাইনে ‘নেপো কিডস’ এবং ‘নেপো বেবিস’ হ্যাশট্যাগে তরুণরা ক্ষোভ প্রকাশ করছিল। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের পর এই ক্ষোভ রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বানেশ্বর, শীতলনিবাস, লেইনচৌর ও বালুয়াটার এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে।
পর্যটকদের জন্য সতর্কতা:
- কাঠমান্ডু ও আশেপাশের এলাকায় ভ্রমণকারী পর্যটকরা যেন ভিড়পূর্ণ এলাকায় না যান।
- সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি, বিশেষ করে কারফিউ এলাকায়।
- আপডেট ও সতর্কতা জানার জন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় তথ্যসূত্র নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।
- নিরাপত্তার জন্য ব্যক্তিগত গাড়ি বা অনুমোদিত পরিবহন ব্যবহার করা উত্তম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিক্ষোভ কেবল তরুণদের ক্ষোভ নয়, বরং নেপালের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্বলতারও প্রতিফলন। পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হচ্ছে অবিলম্বে সংক্রমিত বা অস্থির এলাকা এড়িয়ে চলা।



