
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৫ উপলক্ষে থাইল্যান্ড নানা কর্মসূচি ও আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি পালন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য “পর্যটন ও টেকসই রূপান্তর”।
পুরস্কার বিতরণী: মানই প্রধান
থাইল্যান্ড ট্যুরিজম অথরিটি (TAT) আয়োজন করেছে থাইল্যান্ড ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫। দেশের সেরা হোটেল, ট্যুর অপারেটর, কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন কেন্দ্র ও আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভবিষ্যতে কেবল পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানো নয়, বরং মান ও অভিজ্ঞতা উন্নয়নই হবে মূল লক্ষ্য। TAT-এর চেয়ারম্যান এ কৌশলকে অভিহিত করেন “সংখ্যা নয়, মানই আসল” স্লোগানে।
ডিএনএ ট্রাভেল অ্যান্ড ফেয়ার ২০২৫
আগামী ৯ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে ডিএনএ ট্রাভেল অ্যান্ড ফেয়ার ২০২৫। এবারের থিম “থাইল্যান্ডের উপসংস্কৃতি: আবিষ্কার করুন আপনার যাত্রা”। মেলায় থাকবে পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন জীবনধারা অঞ্চল— থাই পপ, সিয়াম স্টাইল, ওয়ার্ক অ্যান্ড প্লে, লাইফস্টাইল অ্যান্ড ফ্যামিলি, থাই টেস্ট। এতে স্থানীয় সংস্কৃতি, খাবার, ফ্যাশন, পরিবারকেন্দ্রিক ভ্রমণ এবং নতুন পর্যটন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ও কার্বন-সচেতন ভ্রমণকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পরিবেশবান্ধব পর্যটনে গুরুত্ব
বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্যের সঙ্গে মিল রেখে থাইল্যান্ড গুরুত্ব দিচ্ছে পরিবেশবান্ধব পর্যটনে। প্লাস্টিক বর্জন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, পরিবেশ সুরক্ষা ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
তবে থাইল্যান্ডের পর্যটন খাত বর্তমানে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। খরচ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা উদ্বেগ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটকে এ হ্রাসের মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে, বিশ্ব পর্যটন দিবসকে থাইল্যান্ড কেবল উদযাপন নয়, বরং খাত পুনর্গঠনের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করছে।
থাইল্যান্ডের অবস্থান স্পষ্ট— ভবিষ্যতে পর্যটন খাতের সাফল্য কেবল সংখ্যায় নয়, বরং মানসম্মত সেবা, স্থানীয় সংস্কৃতির প্রচার এবং পরিবেশ সুরক্ষার মধ্য দিয়েই অর্জিত হবে।



