
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: ভ্রমণপিপাসু বাংলাদেশিদের জন্য আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলের দেশ তিউনিসিয়া হতে পারে দারুণ এক গন্তব্য। তবে সেখানে যেতে হলে পর্যটন ভিসা আবশ্যক, আর সেই প্রক্রিয়া সম্পর্কে অনেকে স্পষ্ট ধারণা পান না। এখানে দেওয়া হলো পুরো ভিসা প্রসেসিংয়ের খুঁটিনাটি তথ্য।
এম্বাসি কোথায়?
ঢাকায় তিউনিসিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের সব ধরনের ভিসা সেবা সম্পন্ন করতে হয় ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত তিউনিসিয়ান এম্বাসির মাধ্যমে। আবেদনকারীরা চাইলে ঢাকার কিছু ভিসা এজেন্সির মাধ্যমে কাগজপত্র জমা দিয়ে প্রক্রিয়াটি সহজ করতে পারেন।
ভিসা ফি কত?
ট্যুরিস্ট ভিসার ফি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক ৫ হাজার টাকা। এছাড়া এজেন্সির সার্ভিস চার্জ আলাদা হতে পারে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
ভিসার জন্য আবেদন করতে যা যা লাগবে—
- বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
- পূরণকৃত আবেদন ফরম
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ২ কপি)
- রিটার্ন এয়ার টিকিট
- হোটেল বুকিং বা থাকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত প্রমাণপত্র
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট (কমপক্ষে গত ৬ মাসের, ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষরযুক্ত)
- প্রয়োজনে আহ্বানপত্র (যদি তিউনিসিয়ায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণ থাকে)
- ব্যবসায়িক ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোম্পানির লেটারহেডে ইনডোরসিং লেটার ও কোম্পানির ব্যাংক স্টেটমেন্ট
প্রসেসিং টাইম
সাধারণত ৫ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে ঢাকা থেকে দিল্লিতে কাগজপত্র পাঠানো ও ফেরত আনতে অতিরিক্ত সময় ধরে নিতে হবে। সবমিলিয়ে আবেদন থেকে ভিসা হাতে পেতে প্রায় ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
আবেদনকারীদের জন্য পরামর্শ
- ফরম পূরণের সময় কোনো ভুল যেন না হয়।
- সব কাগজপত্রের অরিজিনাল কপি জমা দিতে হবে। স্ক্যান কপি গ্রহণযোগ্য নয়।
- ভ্রমণের তারিখের কমপক্ষে এক মাস আগে ভিসা আবেদন করা উত্তম।
বাংলাদেশিদের জন্য তিউনিসিয়ার ভিসা আবেদন করতে হলে নয়াদিল্লির এম্বাসির মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। খরচ আনুমানিক পাঁচ হাজার টাকা, আর লাগবে পাসপোর্ট, ফটো, টিকিট, হোটেল বুকিং ও ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ অন্যান্য কাগজপত্র। সময় লাগে গড়ে তিন থেকে চার সপ্তাহ।



