
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: আফ্রিকার ছোট দেশ টোগো ভ্রমণ করতে চাইলে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা বাধ্যতামূলক। ভিসার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে, কোথায় আবেদন করতে হবে, কত টাকা খরচ হবে—সব মিলিয়ে বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো।
কী কী লাগবে
১. পাসপোর্ট – ভ্রমণের তারিখ থেকে অন্তত ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে এবং অন্তত ২টি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
২. ভিসা আবেদন ফর্ম – টোগোর সরকারি অনলাইন ই-ভিসা পোর্টাল থেকে ফর্ম পূরণ করতে হবে।
৩. ছবি – সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি (অনলাইন আবেদন হলে ডিজিটাল ছবি)।
৪. ভ্রমণের প্রমাণ – যাওয়া-আসার টিকিট।
৫. আবাসনের প্রমাণ – হোটেল বুকিং বা টোগোতে কারো কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র।
৬. আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ – সাম্প্রতিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা অন্য প্রমাণ।
৭. স্বাস্থ্য সনদ – ইয়েলো ফিভার ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
- বাংলাদেশ থেকে সরাসরি টোগোর কোনো দূতাবাস নেই। তাই ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে টোগোর অনলাইন ই-ভিসা পোর্টালে অথবা নিকটতম টোগো দূতাবাস/কনস্যুলেটে (ভারতে নেই, সাধারণত আফ্রিকান দেশগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়)।
- সাধারণত ভিসা প্রসেসিংয়ে ৫-৭ কর্মদিবস লাগে।
ভিসা ফি
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী—
- স্বল্প মেয়াদী ভিসা (১৫ দিন): প্রায় ৪৫ মার্কিন ডলার।
- ৩০-৯০ দিনের ভিসা: প্রায় ৮০ থেকে ১২০ মার্কিন ডলার (সময় ও ধরণের উপর নির্ভর করে)।
- অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ থাকলে মোট খরচ কিছুটা বেশি হতে পারে।
ভিসা দেওয়ার অফিস/যোগাযোগ
বাংলাদেশে টোগোর কোনো স্থায়ী দূতাবাস নেই।
সরকারি ভিসা বিষয়ক কর্তৃপক্ষ হলো:
Direction Générale de la Documentation Nationale (DGDN), Lomé, Togo।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: dgdn.gouv.tg
সতর্কতা
- ভিসার মেয়াদ, এন্ট্রি সংখ্যা (একবার/একাধিকবার), এবং পাসপোর্টের বৈধতা ভালোভাবে যাচাই করুন।
- ইয়েলো ফিভার ভ্যাকসিন না নিলে প্রবেশে সমস্যা হতে পারে।
- ফ্লাইট টিকেট ও হোটেল বুকিং নিশ্চিত করার আগে ভিসা প্রসেস শুরু করা ভালো।
সহজভাবে বললে, বাংলাদেশি পর্যটকরা টোগো ভ্রমণে যেতে চাইলে অনলাইন ই-ভিসার মাধ্যমেই আবেদন করবেন। আনুমানিক খরচ পড়বে ৪৫ থেকে ১২০ ডলার।



