পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা আলাস্কায় পুতিন-ট্রাম্প বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে ইউক্রেন যুদ্ধ। সাবেক রাশিয়ান গুপ্তচর লেফটেন্যান্ট জেনারেল লিওনিদ রেশেতনিকভ সতর্ক করেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হতে পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রেশেতনিকভ স্পষ্ট করে বলেছেন, “যুদ্ধ থামাতে শুধু যুদ্ধবিরতি যথেষ্ট নয়। পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তির প্রয়োজন। এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাজ হলো জেলেনস্কির সরকারকে বিষয়টি মেনে নিতে রাজি করানো। কিন্তু এটি সহজ কাজ নয়।”
তিনি আরও বলেছেন, জেলেনস্কির সঙ্গে কাজ করা “খুবই কঠিন” কারণ তিনি সবকিছুই স্বৈরাচারী ক্ষমতার মাধ্যমে পরিচালনা করতে চান। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য তাকে বিরাট ছাড় দিতে হবে। আর তাতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যেখানে হয়তো তাকে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে, না হলে পুরোপুরি ক্ষমতা হারাতে হবে।
রেশেতনিকভ আরও উল্লেখ করেছেন, জেলেনস্কির মতো ইউরোপীয় নেতারাও এখনো রাশিয়াকে দুর্বল করার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের কর্মকাণ্ডও এই একই উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করছে।
সংক্ষিপ্ত অর্থ: শান্তি আলোচনা এবং যুদ্ধবিরতির চেষ্টা শুধুমাত্র সমঝোতা নয়; রাজনৈতিক ক্ষমতা ও ভেতরের চাপ জেলেনস্কির সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে। তাই, ভবিষ্যতে ইউক্রেনের শান্তি প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সবচেয়ে জটিলও।
আমি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, নিউজলেটার বা হেডলাইন-স্টাইল আকারেও সাজাতে পারি যা ‘পর্যটন সংবাদ’-এর পাঠকদের জন্য চোখে পড়বে। তুমি কি সেটা চাও?



