
এই ৩টি ছুটিতে আসতে পারে পুলিশ প্রশাসন থেকে আর দেখা হচ্ছে রসমালাই এর পুলিশ কুমিল্লাতে। ছুটির দিন এবং শনিবার সাধারণ ছুটির সাথে তার যোগ হচ্ছে রবিবার বৌদ্ধপূর্ণিমার ছুটিতে, এই মোট ৩দিনের ছুটিতে মনের মত চলুক ঘুরাফেরা আর ভ্রমণের জন্য কুমিল্লা জেলা একটি গভীর গন্তব্য হতে পারে। প্রাচীন ঐতিহ্য, প্রত্নতাত্ত্বিক দর্শন, বৌদ্ধ বিহার, ঐতিহাসিক মসজিদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিপূর্ণ এই জেলা। ময়নামতি, শালবন বিহার ও লালমাই পাহাড় ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য খুঁজে। অনেক ধর্মসাগর পার্ক ও পরিবারগুলো সহ সময় কাটানোর জন্য উপযোগী। শহর খাবার, বিশেষ করে কুমিল্লার রসমালাই অংশদের মন জয় করে। ঢাকা থেকে পুলিশ ও রেলপথে সহজে যাওয়া যায়। ঐতিহ্য ও মধ্যতার প্যাকেজ কুমিল্লা ভ্রমণসুদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে। পাল্টা দেখা যাচ্ছে কুমিল্লার অনুসরণ
১. ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ও স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত। এটি বাংলার প্রাচীনতম বৌদ্ধ সতারভ নিদর্শন প্রদর্শন করে।
২. ধর্মপুর বাজার ওঘাট
স্থানীয় নদীকেন্দ্রিক বাজার, প্রাচীন নৌ-মৌমারীর স্মৃতিবাহ।
৩. ময়নামতি
জাদুঘরত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে প্রাপ্ত মূর্তি, একক, কঙ্কাল সহ অনেক দুর্লভ নিদর্শন এখানে রয়েছে।
৪. ওয়া আপ এ টাইম পার্ক
পর্যটন ও বিনোদনের জন্য অনন্ত একটি থিম পার্ক। রাস্তার জন্য রাইড, বোটিং ও বিভিন্ন মডেল স্থাপন করা হয়েছে।
৫. ধর্মসাগর দিঘি
মহারাজা ধর্মমাণিক্য খননকৃত শক্তিশালী দীঘি। শহর কেন্দ্রে কেন্দ্রে, যার চারপাশে হাঁটার পথ এবং বসার জায়গা রয়েছে।

৬. রানির কুঠি
ইতিহাসে শান্তিপূর্ণ রানাদের বাসভবন ছিল এটি। এখনও ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ দেখতে।
৭. বিজয়পুর মৃৎশিল্প গ্রাম
এখানে তেরাকোটা শিল্প হয়। মাটির মনোরঞ্জন তৈরির জিনিসপত্রের মন কাড়ে।
৮. লালমাই পাহাড়
প্রকৃতি প্রেমের জন্য আদর্শ একটি স্থান। এটি ময়নামতির সাথে এবং বন্যপ্রাণী ও গাছপালার আধার।
৯. ইটাখোলা মুড়া
বৌদ্ধ স্থপত্যের অপরাধ নিদর্শন। এটি একটি কেন্দ্র টিলায় মন্দির মন্দির স্থাপনা।
১০. কোটবাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র
পর্যটন এলাকায় শিক্ষামূলক ঘুরতে যাওয়ার জায়গা। অর্থনৈতিকভাবে চাষ ও কৃষিপদ্ধতি দেখা যায়।
১১। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া
প্রবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক আলোচনা থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

১২. মতির মসজিদ (বরুড়া)
৪০০ বছরের পুরোনো, প্রায় মাটির নকশা ও নির্মাণশৈলী গঠন করে।
১৩। নবব বাড়ি (চান্দিনা)
ঐতিহাসিক নববদের বাসস্থান হিসাবে, প্রাচীন স্থাপত্য দর্শনীয়।
১৪। বড় কাঠরা মসজিদ
মুঘল ইমামের ঐতিহাসিক মসজিদ, কুমিল্লা শহর প্রাচীন নিদর্শন মাঝে।
১৫। বড় কবরস্থান
ঐতিহাসিক ইসলামি সমধিক্ষেত্র, ব্যক্তি আলেম-ওলামা ওতাদের কবর রয়েছে এখানে।
১৬। সোনারগাঁও বাজার (মেঘনা সংলগ্ন)
প্রাচীন বাণিজ্য কেন্দ্র, যেখানে এখনও ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প পাওয়া যায়।
১৭। চিওড়া শাহী মসজিদ
ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ, ১৭শ শতক। দৃষ্টিন্দন কারুকাজ ও রাজনৈতিক রাজনৈতিক করে।
১৮. শ্রীকাইল চা বাগান
বিস্তৃত বিস্তৃতি দেখতে এটি কুমিল্লার প্রবেশ চাওয়া হিসাবে পরিচিত, সবুজ প্রকৃতি ঘেরা।
১৯। নিউনগর নৌ পার্ক পার্ক
বিনোদনের জন্য, নৌকা ভ্রমণ ও সন্ধ্যায় শান্তিপূর্ণভাবে করা হয়।
২০। শালবন বিহার
৮ম-৯ম শতকের বৌদ্ধ বিহার, যেখানে এক সময় সহস্রাধিক সন্ন্যসী বসবাস করতে। মঠা কৃতির অবকাঠামোটি দেখা যায়।

২১। জগন্নাথ ধাম (চৌদ্দগ্রাম)
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের স্থান, বার্ষিকলোকের সময় বহুর্থ দর্শনীর আগমন খেলা।
২২। কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট
বাংলাদেশ পরিদর্শক গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি, পরিবেশ ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।
২৩। চান্দিনা রেলওয়ে এই
প্রাচীনতম রেলওয়ে নেটওয়ার্ক একটি, ঐতিহাসিক এবং স্থাপত্যিক গুরুত্ব রয়েছে।
২৪। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ স্মৃতি কেন্দ্র
বাংলা সাহিত্যের একজন ব্যক্তিগত ও সংগ্রাহক প্রকাশে উঠে কেন্দ্র।
২৫। দেবিদ্বার জমিদার বাড়ি
পুরাতন জমিদার প্রাসাদ, আজও ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়।
ভ্রমণের সময় পানির সতর্কতাগুলো অবলম্বন করা উচিত —
• প্রচণ্ড ও গরম রোদ থেকে বাঁচতে উজ্জ্বল পোশাক, ছাতা ও পানি বোতলের সঙ্গে।
• সংক্ষিপ্ত বিবরণ ব্যাখ্যার বিষয়ে আলোচনা। প্রাচীন স্থাপনা না চড়ুন বা ক্ষতি করবেন না।
• স্থানীয় স্বাধীন রাজনীতি ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখান। মসজিদ ও পার্টি গঠন শৈলনতা বজায় রাখা।
• স্থানীয় পরামর্শের সময় সতর্কতা। পরিষ্কার ও ভেজাল মুক্ত ভোট করুন।
• ভিড়পূর্ণ ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বিবেচনা করুন। চুরি ছাড়ে সতর্ক যোগাযোগ।
• নদী, দীঘি বা পাহাড়ে ঘোর সময় সতর্কতা। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ করুন।
• স্থানীয় গাইডের সহায়তা নিন। অপরিচিত এলাকা ভালোভাবে ঘুরতে সহজ হবে।



