
একটি দেশের পাসপোর্ট হচ্ছে বিশ্বদরবারে সেই দেশের মানুষের জাতীয়তা পরিচয়ের প্রধান সনদ। প্রতিটি দেশের নাগরিকদের আমরা প্রথমিক ভাবেই চিনে থাকি তাদের পাসপোর্ট দেখে।
ততকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২২ মে ২০২১ সাথে প্রথম বাংলাদেশের পাসপোর্ট থেকে ইজরায়েলের নাম তুলে দেয়া হয় যখন থেকে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট চালু করা হয়।
সে সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন আব্দুল মোমেন। এ বেপারে ততকালীন সময় উনার কাছে জামতে চাইলে উনি সাংবাদিকদের জানান ‘ইসরায়েলের সঙ্গে বাংলাদেশ কোন ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করছে না।
আগের পাসপোর্টে ইসরায়েলে ভ্রমণের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ ছিল। কিন্তু নতুন ই-পাসপোর্টে সেই কথাটি বাদ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেছেন, “আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে কোন পরিবর্তন নাই। উই ওয়ান্ট টু স্টেট সল্যুশন। প্যালেস্টাইন তার ১৯৬৭ সালের ম্যাপ অনুযায়ী তাদের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হবে জেরুসালেমকে রাজধানী করে। এটাই আমরা বিশ্বাস করি, মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। এটাই আমরা প্রমোট করি।”
তবে দেশের ই পাসপোর্টে যে এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল, সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কিন্তু আগে কোন বক্তব্য বা ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি।
এখন যখন ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষের উপর বর্বর হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল তখন সেই আগের পাসপোর্ট তথা ইজরায়েলের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই এমন লিখা আবার চায় এ দেশের আপামর মুসলিম জনগণ।
বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের আবেদন হচ্ছে আবার বাংলাদেশের পাসপোর্ট এ উল্লেখ করা হোক “ইজরায়েল ব্যাতিত বিশ্বের সকল দেশের জন্য বৈধ এই পাসপোর্ট ”
এ প্রসংগে নাদিয়া শফিক নামে একজন সাধারণ নাগরিক পর্যটন সংবাদকে বলেন আমরা আপামর সাধারণ মুসলিম নাগরিক চাই আমাদের পাসপোর্ট এ লিখিত ভাবে ইজরায়েলকে বয়কট করতে যেনো তারা বুঝতে পারে তাদের আমরা কতোটা ঘৃণা করি।
উল্লেখ্য ইজরায়েলের এই পাষবিক হিংস্রতা যা ফিলিস্তিনের উপর চালাচ্ছে তার ফলে এখন সারা বিশ্ব ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছে।



