
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সমুদ্রসৈকত নিয়ে গত পর্বে বেশ কয়েকটি সমুদ্র সৈকত নিয়ে বলা হয়েছে। এসব সৈকতের নীল জলরাশি আর শোঁ শোঁ গর্জনে মুগ্ধ হয় পর্যটকরা। কক্সবাজার জেলায় এসব সমুদ্রসৈকত ছাড়াও দেখার মতো আরো অনেক পর্যটন স্পট রয়েছে।
সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, একমাত্র কোরাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, সোনাদিয়া দ্বীপ, পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী, লাইট হাউসের দ্বীপ কুতুবদিয়া, ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক, মাতারবাড়ী, শাহপরীর দ্বীপসহ আরো অনেক স্থান।
সবগুলো পর্যটন স্পট দুই-তিন দিনে ঘুরে শেষ করা সম্ভব নয়। প্রথম পর্বে আপানারা জেনেছেন কক্সবাজারের প্রধান সৈকতগুলো ও মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সৈকতগুলো সম্পর্কে। আর দ্বিতীয় পর্বে জানবেন মহেশখালী দ্বীপ সম্পর্কে।
এই দ্বীপেও অনেকগুলো পর্যটন স্পট রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে—
মহেশখালী দ্বীপ
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কক্সবাজারের এই মহেশখালী দ্বীপ। এটি কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত।
প্রায় ৩৬২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া, মাতারবাড়ি, ধলঘাটা নামে ৩টি দ্বীপ রয়েছে।
১৮৫৪ সালে গড়ে ওঠা এই দ্বীপ পান, মাছ, শুঁটকি, চিংড়ি, লবণ ও মুক্তা উৎপাদনের কারণে সুনাম অর্জন করলেও এখানকার মূল আকর্ষণ মিষ্টি পান। মহেশখালী এই মিষ্টি পানের জন্যে দেশজুড়ে বিখ্যাত।



