সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা: পর্যটকদের জন্য যা জানা জরুরি

পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দক্ষিণ এশীয় পর্যটকদের কাছে সবসময়ই জনপ্রিয় গন্তব্য। বিশেষ করে দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ ভ্রমণে প্রতি বছর হাজারো বাংলাদেশি যান। তবে সেখানে যেতে হলে আগে থেকেই ভিসার নিয়ম-কানুন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।

ভিসার ধরন
পর্যটন উদ্দেশ্যে মূলত তিন ধরনের ভিসা পাওয়া যায়:

  • ১৪ দিনের স্বল্পমেয়াদি ভিসা
  • ৩০ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা
  • ৯০ দিনের দীর্ঘমেয়াদি ভিসা

যা যা কাগজপত্র প্রয়োজন
ইউএই ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হয়:
১. কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ আছে এমন বৈধ পাসপোর্ট
২. সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে)
৩. রিটার্ন এয়ার টিকিটের কপি
৪. হোটেল বুকিং কনফার্মেশন বা আমন্ত্রণপত্র (যদি আত্মীয়ের বাসায় থাকার পরিকল্পনা থাকে)
৫. ভ্রমণ বিমা (Travel Insurance)
৬. ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (কিছু ক্ষেত্রে)

আবেদন পদ্ধতি
ভিসার আবেদন করা যায় ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে, অথবা সরাসরি এয়ারলাইন্স (যেমন এমিরেটস, এতিহাদ, ফ্লাই দুবাই) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে। অনলাইন আবেদন করলে সাধারণত ৩–৭ কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা ইস্যু হয়।

ভিসা ফি
ভিসার ধরন অনুযায়ী ফি ভিন্ন হয়ে থাকে। গড়ে ৮০ থেকে ১৫০ মার্কিন ডলারের মধ্যে পর্যটন ভিসা পাওয়া যায়।

বিশেষ দিকনির্দেশনা

  • ভিসা হাতে পাওয়ার আগে টিকিট কাটা না-ই ভালো, যদিও অনেক সময় ভিসা প্রসেসে টিকিট বুকিং প্রয়োজন হয়।
  • ইউএই ভিসা সাধারণত ‘ই-ভিসা’ আকারে ইস্যু হয়, যা আবেদনকারীর ইমেইলে পাঠানো হয়।
  • ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করলে জরিমানা গুনতে হয়, তাই ভ্রমণ শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশে ফিরতে হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর্যটন খাত প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ হচ্ছে। ভিসা প্রক্রিয়াও তুলনামূলক সহজ হওয়ায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের জন্য এটি এখন অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।

 

Read Previous

গোপালগঞ্জের ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি: মতুয়া আন্দোলনের জন্মভূমি ও তীর্থপীঠ

Read Next

সরকারি সফরে চীন গেলেন সেনাপ্রধান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular