
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা (সাবক্লাস ৬০০) বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ট্যুরিস্ট ভিসা। এই ভিসায় পরিবার দেখা, ঘুরে দেখা বা স্বল্পমেয়াদি ব্যক্তিগত সফর—সবই করা যায়।
ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
| ধাপ | কাগজপত্র | বিস্তারিত |
|---|---|---|
| পাসপোর্ট | মূল পাসপোর্ট | কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদ থাকতে হবে |
| পুরনো পাসপোর্ট | যদি থাকে | পূর্বের ভিসা ও ইমিগ্রেশন ইতিহাস দেখে |
| ছবি | পাসপোর্ট সাইজ (৩.৫ × ৪.৫ সেমি) | সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে সাম্প্রতিক তোলা |
| আবেদন ফর্ম | অনলাইন ImmiAccount | সব কিছু ডিজিটালভাবে জমা দিতে হয় |
| ভ্রমণ পরিকল্পনা | টিকিট ও হোটেল রিজার্ভেশন | বুকিং কনফার্মেশন থাকলে ভালো |
| কাভার লেটার | নিজের লেখা সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা | কেন যাচ্ছেন, কতদিন থাকবেন—স্পষ্ট লিখতে হবে |
| আর্থিক প্রমাণ | ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সর্বশেষ ৬ মাস) | ব্যালান্স যুক্তিযুক্ত হওয়া জরুরি |
| চাকরির প্রমাণ | অফিস থেকে এনওসি / চাকরির সনদ | ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স রিটার্ন |
| আমন্ত্রণপত্র | (যদি কেউ ইনভাইট করে) | আতিথেয় ব্যক্তির পাসপোর্ট/ভিসার কপি, ঠিকানা |
| মেডিকেল | কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক | বিশেষত দীর্ঘ মেয়াদের ভিসার ক্ষেত্রে |
ভিসা ফি ও অন্যান্য খরচ
| খরচ | পরিমাণ (আনুমানিক) |
|---|---|
| ভিসা আবেদন ফি | প্রায় ১৫০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার |
| বায়োমেট্রিক ফি (ঢাকা VFS) | প্রায় ২,৬৪০ টাকা |
| ফাইল প্রসেসিং সহায়তা (যদি নেওয়া হয়) | প্রায় ৪৫০ টাকা (৩০ মিনিট গাইডেন্স) |
মনে রাখবেন: ফি সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়, তাই আবেদন করার দিনেই অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ হার চেক করবেন।
কোথায় জমা দেবেন
ভিসা আবেদন জমা সম্পূর্ণ অনলাইন, তবে বায়োমেট্রিক ও কাগজপত্র যাচাই করতে যেতে হবে:
VFS Global – Australian Visa Application Centre (AVAC), ঢাকা
ডেল্টা লাইফ টাওয়ার (৪র্থ তলা), প্লট ৩৭, রোড ৯০, নর্থ অ্যাভিনিউ, গুলশান ২, ঢাকা ১২১২
সিদ্ধান্ত সাধারণত অস্ট্রেলিয়ার নয়াদিল্লি বা কলম্বো ইমিগ্রেশন অফিস থেকে আসে।
প্রসেসিং টাইম
| আবেদনকারীর হার | প্রসেসিং সময় (গড়) |
|---|---|
| ৫০ শতাংশ আবেদন | প্রায় ৮ দিন |
| ৯০ শতাংশ আবেদন | প্রায় ২৭ দিন |
নথি অস্পষ্ট বা সন্দেহ হলে সময় আরও বাড়তে পারে।
সফল ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ন পরামর্শ
- আবেদন করার আগে থেকেই সব কাগজ স্ক্যান করে প্রস্তুত রাখুন
- নামের বানান, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বর মিলিয়ে নিন
- ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে লাস্ট মুহূর্তে টাকা জমা দেওয়া দেখালে সন্দেহ হতে পারে
- এমব্যাসি ধরে নেয়—আপনি ফিরে আসবেন কি না। তাই দেশে ফেরা বাধ্যতামূলক তা নথির মাধ্যমে বোঝান
- ফ্লাইট বুকিং কনফার্ম না করলেও প্রি-রিজার্ভেশন দেখাতে পারেন
- অগ্রিম আবেদন করুন—ট্রাভেল ডেটের কমপক্ষে ১ থেকে দেড় মাস আগে



