
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য চীনা ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়ায় নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত চীন দূতাবাস। দূতাবাসের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া এখন থেকে আরও স্বচ্ছ, সহজ ও ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা যাবে।
অনলাইনে আবেদন
প্রথমে আবেদনকারীদের চায়নিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারের ওয়েবসাইটে (https://www.visaforchina.cn/) গিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
প্রাথমিক পর্যালোচনা
ফরম জমা দেওয়ার পর অনলাইনে প্রাথমিক পর্যালোচনা করা হবে। এরপর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল পাওয়া যাবে:
• যদি সংশোধন বা অতিরিক্ত নথি প্রয়োজন হয়, তা দ্রুত ঠিক করে পুনরায় জমা দিতে হবে।
• যদি ভিডিও সাক্ষাৎকারের তারিখ দেওয়া হয়, তবে নির্ধারিত দিনে দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাৎকার দিতে হবে।
• আর যদি “অনলাইন পর্যালোচনা সম্পন্ন” ফলাফল পাওয়া যায়, তবে তা প্রাথমিক অনুমোদন হিসেবে গণ্য হবে।
পাসপোর্ট জমা ও বায়োমেট্রিক
প্রাথমিক অনুমোদনের পর আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধি সরাসরি ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে গিয়ে পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন। একই সময়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট (যদি প্রযোজ্য হয়) ও ভিসা ফি পরিশোধ করতে হবে। এজন্য আলাদা অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে না।
বিশেষ ছাড়
১৪ বছরের নিচে বা ৭০ বছরের বেশি বয়সী আবেদনকারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে না। একই ছাড় প্রযোজ্য হবে যাদের আগের পাঁচ বছরের মধ্যে একই পাসপোর্টের সঙ্গে আঙুলের ছাপ জমা রয়েছে, যাঁরা শারীরিকভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে অক্ষম, অথবা যারা ৩১ ডিসেম্বরের আগে স্বল্পমেয়াদি (১৮০ দিনের কম) একক বা ডাবল এন্ট্রি ভিসার জন্য আবেদন করেছেন। তারা অন্য কাউকে দিয়েও তাদের কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন।
ভিসা সংগ্রহ
আবেদনকারীরা নির্ধারিত পিকআপ ফরমে দেওয়া তারিখেই ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। সাধারণত প্রত্যাশিত তারিখেই ভিসা ইস্যু হয়।
প্রক্রিয়াকরণের সময়
অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার এক কার্যদিবসের মধ্যেই প্রাথমিক ফলাফল জানানো হবে। ভিসা সেন্টারে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পর নিয়মিত প্রক্রিয়ায় চার কর্মদিবস এবং জরুরি প্রক্রিয়ায় তিন কর্মদিবস লাগে।
চীন দূতাবাস আবেদনকারীদের সতর্ক করেছে, যারা এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করবেন তারা যেন নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলেন। অন্যথায় ভ্রমণ পরিকল্পনা বিঘ্নিত হতে পারে।



