
ঈদের তৃতীয় দিনে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীর ঢল। আজ বুধবার দুপুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, চিড়িয়াখানা সামনের সড়কে ব্যাপক যানজট। দীর্ঘ সময় লোকজনকে যানজটে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। অনেক আবার গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যাচ্ছেন চিড়িয়াখানায় ।
একদিকে চিড়িয়াখানার রাস্তায় যেমন ব্যাপক যানজট, অন্যদিকে এই সড়কের ফুটপাত প্রশস্ত হলেও অসংখ্য ভ্রাম্যমাণ দোকান বসায় দর্শনার্থীদের হাঁটতেও পেতে হচ্ছে বেগ । প্রচুর মানুষ ফুটপাতে থাকায় স্বাভাবিকভাবে হাঁটাও হচ্ছে কষ্টকর।

ফুটপাত দিয়ে চলার পথে পর্যটন সংবাদকে আনোয়ার সাহেব বলেন, প্রচণ্ড যানজট, গাড়ি এগোয় না আর উয়ান্র সাথে ছিল উনার বছরের ছোট ছেলে রাফি। তিনি বলছিলেন উনার ছেলে বাসের ভেতর গরমে অস্বস্তিবোধ করছিল। তাই হেঁটে রওনা হয়েছেন।
মিরপুর-১ নম্বর এলাকার সনি সিনেমা হল এলাকা থেকে চিড়িয়াখানা পর্যন্ত আসতে অধিকাংশেরই এক ঘণ্টার মতো সময় লাগছে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে রোকসানা বেগম ও আনোয়ার দম্পতি তাঁদের দুই সন্তান নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছেন। তাঁরা সনি সিনেমা হল এলাকা থেকে বাসে ওঠেন। যানজটের কারণে একপর্যায়ে বাস থেকে নেমে যান। রোকসানা বেগম বলেন, ‘বাস থেকে নেমে এক কিলোমিটারের মতো এলাকা হেঁটে এসেছি। বাচ্চাদের নিয়ে হাঁটা যায় না। এটুকু রাস্তা আসতে এক ঘণ্টার মতো সময় লেগেছে।’
জাতীয় চিড়িয়াখানা ঘুরতে নরসিংদী থেকে পাঁচ বন্ধু এসেছেন। তাঁদের একজন হাসান ফকির বলেন, তাঁদের সঙ্গে শিশুও আছে, নারীও আছেন। বাসে, হেঁটে এসেছেন। তাঁদের এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে যা সত্যি অনেক ভোগান্তির বেপার।
এদিকে চিড়িয়াখানার ভিতরের দৃশ্য একদম অন্যরকম। শিশুরা বেশিরভাগ ভীর জমাচ্ছে বানরের খাচার সামনে এবং বাঘমামার খাচার সামনে আর বৃহদাকার জিরাফ দেখে প্রায় সবাই আনন্দিত। এছাড়াও অন্যান্য খাচার সামনে উল্লেখযোগ্য ভীর দেখা যাচ্ছে ।



