১৯/০৪/২০২৬
৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়নগঞ্জে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট

ঈদুল আজহা খুবি সন্নিকটে আর এই সময়ে জমে উঠছে কোরবানির পশুর। তবে হাটে গরু-ছাগলের সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। আর এতে পশুর ন্যায্য দাম না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।

তবে এর মধ্যে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে দাম আরও কমে যাওয়ার শঙ্কায় আছেন খামারিরা। এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।

রাজধানীর অদূরে নারায়ণগঞ্জ এ বছর হাট গুলোতে কোরবানির জন্য নানান জেলা থেকে পশু আসতে শুরু করেছে।

আজ মঙ্গলবার( ২৭ মে) নারায়নগঞ্জ আড়াইহাজার উপজেলার বিশনন্দি পশর হাটে দেখা যায় ছোট বড় নানান সাইজের গরু আসছে, বিক্রেতারা বলছে অনেকেই আসে দামও জিজ্ঞেস করে কিন্তু দাম বলে না হেটে টলে যায়। জামালপুর শেরপুর থেকে ৩৬টি গরু নিয়ে এসেছে আবুল মালেক বেপারী, উনি পর্যটন সংবাদকে বলেন আমি গতকাল হাটে আসছি কিন্তু কেনার মতো কোন ক্রেতা দেখি নাই,যারাই আসে দেখতে আসে,দাম শুনে চলে যায়।

এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাক ভরে ভরে আসছে ছোট বড় নানান জাইজের গরু,মহিষ। ক্রেতাদের আশা তারা ভালো দামে তাদের গরু বিক্রি করে হাসিমুখে বাড়ি ফিরবে।

এই হাটে চুয়াডাঙ্গা থেকে আসা খামারি ও ব্যবসায়ী তাড়ত বেপারী বলেন, “তিনটা বড় ফ্রিজিয়ান ষাঁড় নিয়ে এসেছি। প্রতিটির ওজন ৮ থেকে ১০ মণ; যা কিনেছি এক লাখ ৫০ থেকে ৬০ হাজারে। কিন্তু হাটে এসে দেখি দাম বলছে, এক লাখ ২০ থেকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা। এই দামে বেচলে প্রতি গরুতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা লস হবে।”

“একটি গরুকে খাওয়াতে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা খরচ হয়। যদি বিক্রি না হয়, তাহলে তো আরও লোকসান হবে।”

এই হাটে লক্ষ করা যায় কিছু কিছু গরু বেচাকেনা হচ্ছে,যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতা দুজনকেই খুশি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ হাশিল ঘর ফাকা দেখা যাচ্ছে।

এদিকে পশুর হাটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপরতা বেশ লক্ষ করা গেছে। তারা সার্বক্ষনিক টহল দিচ্ছে এবং মাইকিং করছে সবাইকে সচেতন করতে।

Read Previous

ঈদের আগেই বাজারে আসছে নতুন ডিজাইনের নোট

Read Next

চার মহাদেশে সম্প্রচার হবে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular