নজরপুর ট্যাক মেঘনা নদীর পাড় যেনো সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র

কথায় বলে, সাগরপাড়ে দাঁড়ালে সমুদ্রের বিশালতায় নিজেকে খুব ক্ষুদ্র মনে হয়। সুবিশাল সাগরের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করার সময় না হলে বা সাগরপাড়ে যাওয়া সম্ভব না হলে ঘুরে আসা যায় নরসিংদি সদরের নজরপুর ইউনিয়নের নজরপুর ট্যাক নামে মেঘনা নদীর পাড় থেকে। ইতিমধ্যে নরসিংদির নজরপুর সংলগ্ন বিশাল বিস্তীর্ণ পদ্মার পাড় মিনি কক্সবাজার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

নদীর অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে শুক্র, শনি ও ছুটির দিনে নরসিংদির আশপাশের মানুষ জন পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছুটে আসছেন এখানে। নৌকা বা স্পিড বোটে ঘুরে বেড়াচ্ছে নদীতে। অনেকে আসছেন বনভোজনে। তারা বলছে, সরকারি উদ্যোগ নিয়ে এই স্থানটি দর্শনীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

ইতিমধ্যে স্থানীয় কিছু মানুষ নদীর পাড়ে ছোট্ট পরিসরে বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন এবং ছোট ছোট খাবারের দোকান দিয়ে বসেছে। এতে এই নদীপাড়ের গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। তবে পর্যটকদের টান শুধু মেঘনাপাড়ের সৌন্দর্য উপভোগের দিকে। বিশেষ করে শুক্র এবং শনিবার ছুটির দিন নরসিংদির উপজেলা এবং আশপাশের ইউনিয়নের শত শত ভ্রমণপিপাসু নারী-পুরুষ পর্যটক এই নজরপুর ট্যাকে ছুটে আসেন।

মেঘনাপাড়ের লাগুয়া গ্রাম নজরপুরের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জালাল সরকার বলেন, প্রতিদিন কম-বেশি পর্যটক আনন্দভ্রমণে নজরপুর ট্যাকে মেঘনা নদীর পাড়ে আসেন। তবে শুক্র এবং শনিবার ছুটির দিন বিকাল ৪টা থেকে শত শত নারী-পুরুষ পর্যটক অটো এবং মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনযোগে মেঘনা নদীর পাড়ে আনন্দভ্রমণে আসেন।

নজরপুর ট্যাকে আনন্দভ্রমণে আসা নরসিংদি সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রচুর দর্শনার্থী আসায় এখানে বাণিজ্যিকভাবে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা যেতে পারে।

নরসিংদি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, নজরপুর ট্যাক মেঘনা নদীর ঐ পাড়ে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সরকারিভাবে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার। আর অদ্যাবধি কিছু লুভি মাটি খেকো এই ট্যাকের অনেক জায়গা রাত করে মাটি কেটে নিয়ে যেতো যা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।

Read Previous

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশিসহ ৫০৬ অভিবাসী আটক

Read Next

আমেরিকার ভিসা নিয়ে ফের দুঃসংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular