পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: বুয়েনস আয়ার্সের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে ইতিহাস। আকাশী-নীল জার্সিতে শেষবারের মতো ঘরের মাঠে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে নামছেন লিওনেল মেসি। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এই লড়াইকে ঘিরে পুরো আর্জেন্টিনা এখন উৎসবমুখর।
যদিও কাগজে-কলমে ম্যাচের গুরুত্ব কম, কারণ কনমেবল অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়ে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। তবুও মেসিকে শেষবারের মতো নিজেদের সামনে দেখতে ভক্তরা মুখিয়ে আছেন। স্টেডিয়াম ভরবে শুধুই এক কিংবদন্তিকে ঘিরে আবেগ আর স্মৃতির বন্যায়।
২০০৫ সালে অভিষেকের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে মেসির ম্যাচ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৩, গোল ১১২টি। বিশ্বকাপ, অলিম্পিক স্বর্ণ, কোপা আমেরিকার শিরোপা—সবই আছে তার ঝুলিতে। এখন আর জেতার কিছু নেই, আছে শুধু বিদায়ের আবেগ। তবুও সাবেক সতীর্থরা চাইছেন, তিনি যেন সিদ্ধান্তটা আরও একবার ভেবে দেখেন।
মেসির পরিবার থাকবেন গ্যালারিতে। সমর্থকরাও চাইছেন, শেষবার নয়, আরও কিছুদিন যেন আকাশী-নীলে দেখা যায় তাকে। তবে বৃহস্পতিবার রাতের পর এই ক্ষুদে জাদুকরের প্রতিটি পদক্ষেপই লেখা হবে ইতিহাসের পাতায়।
এই সুযোগ হাতছাড়া করতে দিচ্ছে না আয়োজকরাও। টিকিটের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শেষ মুহূর্তে। সবচেয়ে সস্তা টিকিট এখন ১০০ ডলার, আর ভিআইপি আসনের দাম ৫০০ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। তবুও টিকিট কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন সমর্থকরা।
ভ্রমণপিপাসুদের জন্যও এটি এক বিশেষ অভিজ্ঞতা। বুয়েনস আয়ার্স শহর এদিন হয়ে উঠবে উৎসবের নগরী। স্থানীয়দের আবেগ, স্টেডিয়ামের বিদ্যুতায়িত পরিবেশ, আর এক কিংবদন্তিকে বিদায় জানানোর মুহূর্ত—সব মিলে এটি নিছক কোনো খেলা নয়, বরং এক অনন্য পর্যটন অভিজ্ঞতা।



