১৯/০৪/২০২৬
৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জন্মসনদ ছাড়া মিলবে না ১৯টি সরকারি সেবা

পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: জন্মনিবন্ধন সনদ একজন নাগরিকের আইনি পরিচয় এবং নাগরিকত্বের প্রাথমিক স্বীকৃতি। শিক্ষা থেকে চাকরি, পাসপোর্ট থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র—সব ক্ষেত্রেই এর প্রয়োজনীয়তা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জন্মসনদ ছাড়া বর্তমানে দেশে ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা পাওয়া যাবে না।

এসব সেবার মধ্যে রয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, ভোটার আইডি কার্ড, বিদ্যালয়ে ভর্তি, চাকরির নিয়োগ, উচ্চশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, টিকা, সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় ও হস্তান্তর, ব্যাংক হিসাব খোলা, বিমা সুবিধা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা এবং সরকারি যেকোনো সুবিধা গ্রহণ।

জাতিসংঘের আঞ্চলিক সংস্থা ইউএনএসকাপ ঘোষিত ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস (সিআরভিএস) দশক’-এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১৬.৯ লক্ষ্য অনুযায়ী সবার জন্য বৈধ পরিচয়পত্র প্রদানের অঙ্গীকারও এর সঙ্গে যুক্ত।

তবে চিত্র আশাব্যঞ্জক নয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে জন্মনিবন্ধনের হার মাত্র ৫০ শতাংশ। মৃত্যুনিবন্ধনের হার আরও কম, মাত্র ৪৭ শতাংশ। অথচ বিশ্বে গড় জন্মনিবন্ধনের হার ৭৭ শতাংশ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ৭৬ শতাংশ। মৃত্যুনিবন্ধনের গড় হারও বিশ্বে ৭৪ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত পর্যায়ে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সম্পত্তির উত্তরাধিকার ও ভোটাধিকারের মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। আর রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সঠিক জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্য তথ্য সরকারের পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন, জনস্বাস্থ্য এবং সুশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের ক্ষেত্রে এখনো কিছু জটিলতা রয়ে গেছে। দেশের প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশু স্বাস্থ্যসেবার আওতায় জন্ম নিলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিবন্ধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। বর্তমান আইনে জন্ম ও

Read Previous

গজারিয়ায় পুলিশের ক্যাম্পে জলদস্যু হামলা: দ্রুতই যৌথ বাহিনীর ব্যবস্থা

Read Next

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোটের দিন সেনা মোতায়েন, মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular