
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত উনাওয়াতুনা সৈকত দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র গন্তব্য। স্বচ্ছ নীল জল, সোনালি বালু আর নারকেল গাছের সারি একে বানিয়েছে নিখুঁত অবকাশযাপন স্পট। প্রতি বছর হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক ভিড় জমায় এই সৈকতে।
কেন উনাওয়াতুনা বিশেষ
- সৈকতটি অর্ধচন্দ্রাকৃতির, যা সমুদ্রের ঢেউকে তুলনামূলক শান্ত রাখে। ফলে সাঁতার, স্নরকেলিং বা ডাইভিংয়ের জন্য একেবারে উপযুক্ত।
- কাছেই রয়েছে প্রবাল প্রাচীর আর রঙিন সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, যা পানির নিচে ভ্রমণের স্বর্গরাজ্য তৈরি করে।
- সৈকতের ধারে ক্যাফে, রেস্তোরাঁ আর বিচ-বারগুলো ভ্রমণকারীদের জন্য রাখে প্রাণবন্ত পরিবেশ।
কী কী করা যায়
- সাঁতার ও স্নরকেলিংয়ের পাশাপাশি সার্ফিংয়ের অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়।
- বোট রাইডে সমুদ্রে বেরিয়ে পড়লে ভাগ্য ভালো থাকলে দেখা মিলতে পারে কচ্ছপ কিংবা ডলফিনের।
- সৈকতের কাছেই জাপানি পিস প্যাগোডা আর গলে ফোর্ট ভ্রমণের সুযোগ আছে।
থাকার ব্যবস্থা
উনাওয়াতুনায় আছে বিভিন্ন বাজেটের হোটেল ও গেস্টহাউস। সমুদ্রের একেবারে ধারে বিলাসবহুল রিসোর্ট যেমন পাওয়া যায়, তেমনি ব্যাকপ্যাকারদের জন্য সাশ্রয়ী হোস্টেলও সহজলভ্য।
যাওয়া যাবে কীভাবে
কলম্বো থেকে ট্রেনে বা বাসে গলে শহরে পৌঁছে টুকটুক বা ট্যাক্সিতে সহজেই যাওয়া যায় উনাওয়াতুনা সৈকতে। যাত্রায় সময় লাগে আনুমানিক ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা।
ভ্রমণ পরামর্শ
- ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল সময়টা ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।
- সৈকতের কাছে সানগ্লাস, সানস্ক্রিন আর হালকা পোশাক অপরিহার্য।
- স্থানীয় সংস্কৃতি সম্মান করে চলা এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ভ্রমণকারীর দায়িত্ব।
উনাওয়াতুনা শুধু সমুদ্র নয়, এখানে মিশে আছে শ্রীলঙ্কার আতিথেয়তা, সংস্কৃতি আর উষ্ণতা। যারা প্রকৃতি আর রোমাঞ্চকে একসাথে খুঁজছেন, তাদের জন্য এই সৈকত নিঃসন্দেহে একটি আদর্শ গন্তব্য।



