
যশোর প্রতিনিধি। পর্যটন সংবাদ: যশোরের নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির স্থগিত সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনিসহ চারজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানের স্ত্রী রাবেয়া সুলতানা সুমি যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন— জনি, নওয়াপাড়ার সাকির আহমেদ, কামরুজ্জামান মিঠু ও গোয়াখোলার সম্রাট। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানের জমি বিক্রির তথ্য জেনে আসামিরা প্রথমে এক লাখ টাকা দাবি করেন। পরে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে চাপ সৃষ্টি করেন। এ সময় তাকে মারধর, হত্যার হুমকি এবং তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়। এমনকি তার স্ত্রীকে বাধ্য করে একটি ৫০ হাজার টাকার চেক ও দুটি স্বাক্ষরবিহীন চেকও নেয়া হয়। পরে ৫০ হাজার টাকা উত্তোলনও করা হয়।
ঘটনার পর গুরুতর অবস্থায় মেহেদী হাসানকে যশোর ও পরে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানা গেছে।
আদালত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে অভয়নগর থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে থানা পুলিশ জানিয়েছে, এখনও এ সংক্রান্ত নথি হাতে আসেনি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এর আগে আসাদুজ্জামান জনির বিরুদ্ধে চার কোটি টাকা চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা হয়। গত শুক্রবার (১৫ আগস্ট) তাকে খুলনার একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তার মালিকানাধীন নওয়াপাড়া ইকোপার্ক ও বাসায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ব্যাংকের নথি ও সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, জনি নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তবে গত বছরের নভেম্বর মাসে দলীয় বিশৃঙ্খলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তার পদ স্থগিত করা হয়।



