
পর্যটন সংবাদ ডেস্ক : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বুধবার ঘোষণা করেছেন যে, দেশের প্রধান সমুদ্র সৈকতগুলোতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা ও জরুরি চিকিৎসা সেবা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে।
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে কক্সবাজারের সি-সেফ লাইফগার্ড সার্ভিসের পরিচালক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতা সংস্থা রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশন (আরএনএলআই)-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, “পর্যটকদের জীবন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমাদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করতে হবে।” তিনি কক্সবাজার ও পটুয়াখালী সমুদ্র সৈকতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে উভয় জেলার জেলা প্রশাসকদের অবিলম্বে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলোতে জননিরাপত্তা বাড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। স্বল্পমেয়াদে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে লাইফগার্ড কার্যক্রমকে সহায়তা দেওয়া হবে এবং পর্যায়ক্রমে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
উল্লেখ্য, আরএনএলআই-এর আর্থিক সহায়তায় সিআইপিআরবি ২০১২ সাল থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাইফগার্ড সেবা পরিচালনা করে আসছে, যা দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করছে। বৈঠকে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


